কোচবিহার: সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের কাজের মধ্য দিয়ে কোচবিহারের সিতাই ব্লককে
জেলার শীর্ষে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে চলছেন ব্লক প্রশাসন। গত কয়েক মাস ধরে সিতাই ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ যাতে নির্দিষ্ট সময়ে সম্পন্ন হয় তার জন্য সব রকম ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রশাসনের আধিকারিকদের পাশাপাশি কর্মীরাও। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কর্মীরা কম্পিউটারে বসে বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বুথে বুথে সেই কাজ সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা সেসব তদারকের পর আপলোডিং করছেন। সিতাই ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের বিশেষ করে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের পাশাপাশি ‘আমার পাড়া আমার সমাধান’ প্রকল্পেও চলছে জোর কদমে কাজ। এই দুই প্রকল্পে সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে ব্লক প্রশাসন। পাশাপাশি যুবশ্রী প্রকল্পে ফরম বিলি এবং জমা ছাড়াও ভূমিহীনদের জন্য হোম বিলি ছাড়াও তাদের সেই ফর্ম সংগ্রহ চলছে জোড় কদমে। সিতাই ব্লকের বিডিও অমিত কুমার মণ্ডল জানিয়েছেন, ব্লকের পাচটি গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন ৯৯ টি বুথ রয়েছে। আমার পাড়া আমার সমাধান প্রকল্পে এই বুথ গুলির ৮০ শতাংশের বেশি কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। এই কাজের জন্য সরকারি ভাবে বরাদ্দ এসেছে প্রায় সাড়ে ৯ কোটি টাকা। এছাড়াও বাংলার বাড়ি প্রকল্পে প্রথম দফায় ১০০ শতাংশ টাকা পৌঁছে গিয়েছে বেনিফিশিয়ারিদের হাতে। মোট বাড়ি পেয়েছে ৬৬৯৬ জন। প্রথম কিস্তিতে তাদের সেই টাকা পৌঁছে গিয়েছে বেনিফিশিয়ারীদের হাতে। পাশাপাশি সেইসব বাড়ি তৈরির কাজও শুরু হয়েছে। এই দুই প্রকল্প ছাড়াও রাজ্য সরকারের যুব সাথী প্রকল্পে ব্লকের প্রায় পাঁচ হাজার যুবক-যুবতীর ফর্ম ইতিমধ্যে আমাদের হাতে এসে পৌঁছে গিয়েছে। এই প্রকল্পে ইতিমধ্যে ছয় হাজারের কিছু বেশি ফর্ম নিয়েছে যুবক-যুবতীরা। এছাড়াও ভূমিহীনদের ১৭৪৮ জনের ফর্ম জমা পড়েছে। ফর্ম বিলি হয়েছে ২০০০ এর কিছু বেশি।সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী চলতি মাসের শেষ দিনের মধ্যে যাতে সব রকম কাজ শেষ হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে পাঁচটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানদের সাথেও ব্লক প্রশাসনের বৈঠক হয়। সেখানেও সকলকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ যাতে কোথাও বাকি না থাকে। এদিকে সিতাই পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি স্বপন দাস বলেন,”মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্য সরকারের নানা ও প্রকল্পের কাজ সিতাই ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় চলছে জোর কদমে। এরমধ্যে আমার পার আমার সমাধান প্রকল্পে নিজ নিজ বুথে যেমন প্রয়োজন অনুসারে কাজ চলছে তেমনি বাংলার বাড়ি প্রকল্পে প্রথম কিস্তির টাকা পেয়ে বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেছে বেনিফিশিয়ারীরা। যেভাবে কাজে এগিয়ে চলছে আগামীতে সিতাই ব্লক জেলায় অন্যতম জায়গার করে নেবে।









