অভিযোগ খারিজ তেহরানের
নয়া দিল্লি: মার্কিন রাষ্ট্রপতি দাবি করেছেন, তাঁর ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপের ফলেই ইরানে বন্দি আটজন নারী আন্দোলনকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। তবে ইরান সরকার এই দাবিকে সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে।
এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বার্তায় তিনি লেখেন, “ইরান থেকে অত্যন্ত ভালো খবর এসেছে। আজ রাতে যাঁদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার কথা ছিল, সেই আট নারীকে আর ফাঁসি দেওয়া হবে না। আমার অনুরোধকে সম্মান জানানোয় আমি ইরানের নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞ।” তাঁর দাবি অনুযায়ী, ওই আটজনের মধ্যে চারজনকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হবে এবং বাকি চারজনকে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হবে।
যাঁদের নিয়ে এই দাবি করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে বেতা হেম্মতি, গজল গালানদারি ও গোলনাজ নারাঘির মতো কয়েকজনের নামও উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে ইরান সরকার এই বক্তব্যকে ‘মিথ্যার পুঁটলি’ বলে আখ্যা দিয়ে জানিয়েছে, এ ধরনের কোনো মৃত্যুদণ্ডের সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়নি। সরকারি সূত্রের দাবি, মার্কিন নেতা নিজের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে কাল্পনিক সাফল্যের কথা তুলে ধরছেন এবং আন্তর্জাতিক মহলের সামনে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছেন।
তবে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার মতে, উল্লিখিত কয়েকজন নারী আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এবং তাঁদের পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।









