নয়াদিল্লি: ভারতীয় ‘চাট’ প্রেমীদের কাছে ‘রাজ কচুরি’ এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে। বাইরে থেকে মুচমুচে এবং ভেতরে সেদ্ধ আলু, ছোলা, ঘন ও ঠান্ডা দই এবং টক-মিষ্টি চাটনির সুস্বাদু ও মুখরোচক মিশ্রণে ভরপুর এই কচুরি অনেকেরই অত্যন্ত প্রিয়। এখন আপনি সহজেই বাড়িতে তৈরি করতে পারেন বাজারের মতো নিখুঁতভাবে ফোলা ও মুচমুচে রাজ কচুরি।
নিখুঁত কচুরি তৈরির জন্য প্রথমে ময়দা ও সুজির সাথে সামান্য তেল ও জল মিশিয়ে খামির বা ডো প্রস্তুত করা হয়। কচুরিকে অতিরিক্ত মুচমুচে করে তোলার লক্ষ্যে বেসন, হিং, এক চিমটি বেকিং সোডা ও জল মিশিয়ে একটি নরম ও হলদেটে মিশ্রণ তৈরি করা হয়।
ময়দার মণ্ড দিয়ে তৈরি গোল বলের ভেতরে বেসনের পুর ভরে সেটিকে সামান্য মোটা ও গোলাকার করে বেলে নেওয়া হয়। এরপর কচুরিটি মাঝারি গরম তেলে ছাড়া হয় এবং এর ওপর গরম তেল ঢালা হয়, যার ফলে এটি বেলুনের মতো ফুলে ওঠে। সবশেষে, কম আঁচে এপিঠ-ওপিঠ সোনালি-বাদামী রঙ না হওয়া পর্যন্ত এটি ভাজা হয়।
পুর তৈরির জন্য একটি পাত্রে সেদ্ধ ছোলা, সেদ্ধ আলুর টুকরো, মিহি করে কুচনো পেঁয়াজ, কাঁচা লঙ্কা, বিট নুন, ভাজা জিরে গুঁড়ো, চাট মশলা ও লেবুর রস মিশিয়ে একটি সুস্বাদু ও টক-স্বাদের মিশ্রণ তৈরি করা হয়।
ভাজা কচুরির ওপরের অংশে একটি গর্ত করে তাতে আলু ও ছোলার মিশ্রণ ভরা হয়। এরপর এর ওপর ভালো করে ফেটানো মিষ্টি দই, মিষ্টি-টক স্বাদের তেঁতুলের চাটনি এবং ঝাল ও সুগন্ধি ধনেপাতা-পুদিনার চাটনির আস্তরণ দেওয়া হয়। সবশেষে মিহি সেভ, লাল ডালিম-দানা ও তাজা ধনেপাতা দিয়ে সাজিয়ে এটি গরম-গরম পরিবেশন করা হয়।








