নিষেধাজ্ঞার মাঝেও ড্রোন প্রযুক্তিতে ইরানের সাফল্য, বদলে দিচ্ছে যুদ্ধের নিয়ম

3840px-Flag_map_of_Iran.svg

নয়া দিল্লি: দীর্ঘ চার দশক ধরে কঠোর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েও ড্রোন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য দক্ষতা অর্জন করেছে ইরান। বর্তমানে এই প্রযুক্তির জোরে দেশটি বিশ্ব সামরিক ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের এই সাফল্যের পেছনে শুধু প্রযুক্তিগত উন্নতি নয়, বরং তাদের অভিনব যুদ্ধকৌশলও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
বিশ্বের বড় বড় শক্তিধর দেশ যেখানে অত্যন্ত ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্রের উপর নির্ভরশীল, সেখানে ইরান তুলনামূলক কম খরচে কার্যকর ড্রোন তৈরি করে “সংখ্যা বনাম প্রযুক্তি”র এক নতুন সমীকরণ সামনে এনেছে, যা আধুনিক যুদ্ধের ধরণকেই বদলে দিয়েছে।
ইরানের ড্রোন উন্নয়নের সূচনা হয় ১৯৮০-র দশকে ইরাকের সঙ্গে যুদ্ধের সময়। সেই সময় সীমিত সম্পদের মধ্যে ছাত্র ও প্রকৌশলীরা সাধারণ যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে ছোট নজরদারি বিমান তৈরি করতে শুরু করেন। বর্তমানে ‘শাহেদ-১৩৬’ ধরনের ইরানি ড্রোন কম খরচ এবং রাডারকে ফাঁকি দেওয়ার ক্ষমতার জন্য বিশ্বজুড়ে আলোচনায় রয়েছে।
প্রায় ২০ হাজার ডলারের সমমূল্যের একটি ইরানি ড্রোন শত্রুপক্ষের লক্ষাধিক ডলারের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যস্ত রাখার পাশাপাশি তাদের আর্থিক চাপ বাড়াতে সক্ষম। এই কারণেই আন্তর্জাতিক সংঘর্ষে ইরানের এই প্রযুক্তি ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে মনে করা হচ্ছে।

About Author

Advertisement