এলন মাস্কসহ শীর্ষ ব্যবসায়ীদের উপস্থিতি, নজর বড় প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্য চুক্তির দিকে
নয়া দিল্লি: যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন। ২০১৭ সালের পর এটি তার প্রথম চীন সফর। বেইজিং ক্যাপিটাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চীনের উপ-রাষ্ট্রপতি হান ঝেং তাকে স্বাগত জানান।
ট্রাম্পের সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যরাও রয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছেন ছেলে এরিক ট্রাম্প এবং পুত্রবধূ লারা ট্রাম্প। পাশাপাশি বিশ্বের শীর্ষ ধনী এলন মাস্ক এবং এপল কোম্পানির প্রধান নির্বাহী টিম কুকসহ মোট ১৭ জন শীর্ষ মার্কিন ব্যবসায়ী এই সফরে অংশ নিয়েছেন।
বিমানবন্দরে নীল ও সাদা পোশাকে সজ্জিত প্রায় ৩০০ শিশু পতাকা নাড়িয়ে এবং ম্যান্ডারিন ভাষায় ‘স্বাগতম’ ধ্বনি দিয়ে তাদের অভ্যর্থনা জানায়।
এই সফরের মূল লক্ষ্য বাণিজ্য ও কৌশলগত সম্পর্ক জোরদার করা। ধারণা করা হচ্ছে, এই সফরে বোয়িং বিমানের সঙ্গে প্রায় ৯ লক্ষ কোটি টাকার একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হতে পারে।
এছাড়া ট্রাম্প ও চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের মধ্যে বাণিজ্য শুল্ক, তাইওয়ানে অস্ত্র সরবরাহ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং বিরল খনিজ সম্পদসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং ট্রাম্পের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করবেন, যা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেও ট্রাম্প কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছেন। বেইজিং যাওয়ার আগে তিনি জানান, ইরান ইস্যুতে চলমান উত্তেজনা নিরসনে চীনের সাহায্যের প্রয়োজন নেই এবং যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে স্বনির্ভর।
আরও একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সফর। চীন আগে তার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। পরে তার নাম লেখার পদ্ধতি পরিবর্তন করে তা শিথিল করা হয়, যাতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সফর করতে পারেন।
১৫ মে পর্যন্ত চলবে এই সফর, যা বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতির ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।










