‎রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত সংস্থার কঙ্কালসার চেহারা

FB_IMG_1778587521057


দিনহাটা: এক সময় রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত সংস্থার কার্যত কঙ্কালসার চেহারা বেরিয়ে পড়তে শুরু করেছে। বছর কয়েক আগেও দিনহাটার বেশ কয়েকটি রুটে একাধিক রুটি গাড়ি চলাচল করলেও সেই রুট গুলিতে বর্তমানে বন্ধ হয়ে রয়েছে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার গাড়ি। এর ফলে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের।
সংস্থার গাড়ি বন্ধ থাকায় যাত্রীদের নির্ভর করতে হচ্ছে বেসরকারি গাড়ির উপর। রাজ্যের নতুন সরকারের কাছে যাত্রীদের আবেদন দিনহাটার বিভিন্ন গ্রামীণ গ্রাম রুট গুলিতে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক করার। গ্রামীণ রুট গুলির  মধ্যে রয়েছে দিনহাটা চৌধুরীহাট, দিনহাটা সিতাই ছাড়াও  দিনহাটা গিতালদহ, দিনহাটা শালমারা রুট। দিনহাটা চৌধুরীহাট সীমান্ত এই রুটে ইতিপূর্বে কয়েক বছর আগে একাধিক গাড়ি চলাচল করত। পরবর্তীতে সবকটি গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়।
বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষকে নির্ভর করতে হয় বেসরকারি ছোট ছোট গাড়ির উপর। অভিযোগ,এই রুটে সংস্থার গাড়ি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে যাত্রীদের। চৌধুরীহাট কোচবিহার রুটে  সংস্থায় গাড়ি ভাড়া ৪০ টাকা। বছর তিনেক আগে সংস্থার চেয়ারম্যান পার্থ প্রতিম রায়  এলাকাবাসীদের চাহিদা মত  দু’টি গাড়িটি চালু করেছিলেন। গাড়িটি সকাল পৌনে ন’টায় দিনহাটা থেকে চৌধুরীহাট যেত। আবার সেখান থেকে দশটা নাগাদ রওনা হয়ে দিনহাটা হয়ে কোচবিহার যেত।
দু’টি গাড়ি  বন্ধ থাকায় যাত্রীদের ভাড়া গুনতে হচ্ছে অনেকটাই বেশি। সেক্ষেত্রে একজন যাত্রীর কোচবিহারে যেতে ভাড়া লাগছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা। সন্ধ্যার দিকে বেসরকারি গাড়িগুলি কমে আসলে সেই ভাড়ার পরিমাণ আরও বাড়তে থাকে। সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, দিনহাটা ডিপোয় মোট চালক প্রয়োজন ৫৫ জনের মত।  রয়েছে ৩৯ জন। এছাড়াও কন্ট্রাক্টার রয়েছে ৩২ জন। যেখানে প্রয়োজন প্রায় ৬০ জন। অন্যদিকে, বাসের সংখ্যা রয়েছে কম। চৌধুরীহাটের বাসিন্দা প্রদীপ সাহা জানিয়েছেন, একটি মাত্র সরকারি গাড়ি সারাদিনের দুবার চলত।
সেটাও বছর খানেকের বেশি সময় ধরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ফলে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে আমাদের। যেখানে ৪০ টাকা দিয়ে কোচবিহার যাওয়া যেত সেখানে ছোট গাড়িগুলিতে  যেতে ভাড়া লাগছে ৬০ টাকার মত। সন্ধ্যা হলে একদিকে যেমন ছোট গাড়িগুলি অমিল হয়ে পড়তে থাকে সেই সাথে বাড়তে থাকে ভাড়াও।
একশ্রেণীর ব্যবসায়ী সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছে। একই অভিযোগ বামনহাটের সাহেব আলীর। তিনি বলেন,”বিষয়টি  প্রশাসনকে গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিত।উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার দিনহাটা ডিপো ইনচার্জ যজ্ঞেশ্বর রায়  বলেন,”  চালক ও কন্ট্রাক্টারের পাশাপাশি গাড়ির সংখ্যা কম থাকায় চৌধুরীহাট সহ পাঁচটি গ্রামীণ    রুটে কয়েকটি গাড়ি বন্ধ রয়েছে। চাহিদা মত গাড়ি ছাড়াও চালক ও কন্ট্রাক্টার মিললে গ্রামীণ রুট গুলিতে পুনরায় গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে।

About Author

Advertisement