Day: মে 5, 2026

टीआरआई अभिलेखालय…
সংরক্ষণাগার
নেপাল

লিপুলেখ বিরোধ ও কূটনৈতিক জটিলতা: নেপাল–ভারত সম্পর্কের নতুন মোড় এবং বালেন শাহের সফর অনিশ্চিত

দেবেন্দ্র কে. ঢুঙ্গানা নেপাল ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবে ঘনিষ্ঠ, তবে সময়–সময় সংবেদনশীল ইস্যু দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে লিপুলেখ হয়ে কৈলাশ মানসসরোবর যাত্রার জন্য ভারত–চীন

পশ্চিমবঙ্গ

‎‎‎বঙ্গ বিজেপিতে বিধায়ক দলনেতা নির্বাচন, পর্যবেক্ষক হিসেবে অমিত শাহ‎‎

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠনের প্রক্রিয়ার মধ্যেই বড় পদক্ষেপ নিল ভারতীয় জনতা পার্টি। দলের সংসদীয় বোর্ড বিধায়ক দলনেতা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-কে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে

খেলাধূলা

‎ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে হতাশা: ম্যানচেস্টার সিটির ড্র, চেলসির পরাজয়‎‎‎

লন্ডন: ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল প্রতিযোগিতায় শিরোপা দৌড়ে থাকা ম্যানচেস্টার সিটি হতাশাজনক ড্র করেছে। একই রাতে চেলসি নিজেদের ম্যাচে পরাজিত হয়েছে।‎সোমবার রাতে ম্যানচেস্টার সিটি এবং এভার্টন-এর

খেলাধূলা

‎টানা পরাজয়ের মাঝেও বোলারদের দোষ দিলেন না এলএসজি অধিনায়ক পন্ত

‎‎মুম্বই: ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ ২০২৬-এ লখনউ সুপার জায়ান্টস-এর খারাপ পারফরম্যান্সের ধারা অব্যাহত রয়েছে। সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত এক উচ্চ-স্কোরিং ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স-এর কাছে ৬ উইকেটে হারের মুখে

জাতীয়

‎পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজিত, বিজেপির বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা‎‎কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে এবার নজিরবিহীন রাজনৈতিক পালাবদল দেখা গেল। প্রায় ১৫ বছরের তৃণমূল কংগ্রেস-এর শাসনের অবসান ঘটিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টি ঐতিহাসিক জয় অর্জন করেছে। এই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন সরকারের ৩৫ জন মন্ত্রীর মধ্যে ২২ জনই পরাজয়ের মুখে পড়েছেন, যার মধ্যে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-ও রয়েছেন।‎মুখ্যমন্ত্রী বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ঐতিহ্যবাহী ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে সুবেন্দু অধিকারী-র কাছে ১৫,১০৫ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। বিজেপি রাজ্যে ২০৬টি আসন পেয়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে, যা পূর্ব ভারতে তাদের রাজনৈতিক প্রভাবকে আরও মজবুত করেছে। এই ফলাফলকে বাংলার ইতিহাসে এক বড় ক্ষমতা পরিবর্তনের ঢেউ হিসেবে দেখা হচ্ছে।‎এই নির্বাচনে শিক্ষা, অর্থ, শিল্প, পরিবহন এবং মহিলা ও শিশু উন্নয়ন দপ্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা বহু প্রবীণ মন্ত্রীও নিজেদের আসন হারিয়েছেন। ডুমডুম থেকে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য পরাজিত হয়েছেন, পাশাপাশি মহিলা ও শিশু উন্নয়নমন্ত্রী শশী পাঁজা এবং প্রবীণ নেতা মলয় ঘটকও নির্বাচনে হেরে গেছেন। এছাড়াও আবাসন, বিদ্যুৎ, কৃষি এবং পঞ্চায়েত দপ্তরের মন্ত্রীরাও জনসমর্থন ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন।‎তবে তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন শীর্ষ নেতা নিজেদের অবস্থান বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছেন। কলকাতা বন্দর কেন্দ্র থেকে ফিরহাদ হাকিম বড় জয় পেয়েছেন, আর বালিগঞ্জ থেকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং কসবা কেন্দ্র থেকে জাভেদ খান টানা চতুর্থবারের মতো জয়ী হয়েছেন।‎এই নির্বাচনী ফলাফল রাজ্যের সামগ্রিক রাজনীতিতে এক নতুন দিক নির্দেশ করেছে। বিজেপির এই নিরঙ্কুশ জয়ের ফলে বাংলার পুরনো ক্ষমতার সমীকরণ ভেঙে পড়েছে এবং নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া দ্রুত এগোচ্ছে। এই ফলাফল তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা হলেও, রাজ্যের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক মানচিত্রে এক সুদূরপ্রসারী পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে।