গত ২১ বছর ধরে বাঙালী বৈজ্ঞানিক অধ্যাপক মৃণাল ঠাকুর-এর গবেষণায় ‘দ্য রয়েল সুইডিশ অ্যাকাডেমী অব সায়েন্স’-এর পক্ষ থেকে বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন। দিল্লীতে এক সাংবাদিক বৈঠকে অধ্যাপক মৃণাল ঠাকুর জানিয়েছেন, “২০০০ সালে ভুল তত্ত্ব-র উপর ভিত্তি করে ‘নোবেল পুরস্কার’ দেওয়া হয়েছে, এই তথ্যটা জনসমক্ষে তুলে ধরার পরিণাম স্বরূপ ২০০৩ সাল থেকে আমার গবেষণা সম্পর্কিত সহায়তা দেওয়া বন্ধ রেখেছে সংশ্লিষ্ট সমিতি।” মৃণাল ঠাকুর জানিয়েছেন, ” ২৩ বার নোবেল পুরস্কার পাওয়ার জন্য তাঁর নাম বিবেচিত হয়েছিল।”
অধ্যাপক ঠাকুর ‘নোবেল পুরস্কার কমিটি’-র উপর অভিযোগ তুলে বলেছেন, “২০০০ সালে ‘নন- কনজুগেটেড কনডাকটিভ পলিমার’ তত্ত্বকে যেমন মান্যতা দেওয়া হয়নি, তেমনই ২০১৪ সালে ‘ননলাইনিয়ার অপটিক্যাল স্টাডিজ’-কেও নজরআন্দাজ করা হয়েছে এমনকি ২০২৩ সালেও তাঁর ‘অর্গানিক কোয়ান্টাম ডটস অব সাবন্যানোমিটার ডায়মেনশন’ তত্ত্বকেও পাত্তা দেয়নি নোবেল পুরস্কার কমিটি।”
রয়েল সুইডিশ অ্যাকাডেমী অব সায়েন্স’ কর্তৃপক্ষের তরফে উচ্চপদস্থ সদস্য ‘নোবেল ফাউণ্ডেশন’-এর আউটরীচ প্রোগ্রামের বিষয়ে নিউ দিল্লিতে এসেছিলেন, সেইসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তাঁরা জানিয়েছিলেন, “অধ্যাপক মৃণাল ঠাকুর-এর বিষয়টা ইতিবাচক ভাবেই বিবেচনা করা হবে।”











