২রা অক্টোবর: জাতীয় ও বিশ্ব ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন

2nd-october-gandhi-jayanti-celebration-poster-design_1017-64516

নয়াদিল্লি: ভারতের ইতিহাসে ২রা অক্টোবর দিনটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। দেশের দুই মহান ব্যক্তিত্বের জন্মবার্ষিকী হিসেবে দিনটি ইতিহাসে চিহ্নিত হয়ে আছে। ১৮৬৯ সালের ২রা অক্টোবর ‘জাতির পিতা’ মহাত্মা গান্ধী জন্মগ্রহণ করেন। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং পরবর্তীকালে স্বাধীন ভারত গঠনে তাঁর কার্যকলাপ ও আদর্শ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ১৯০৪ সালের ২রা অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। মানুষ তাঁর সরলতা ও বিনয়ের প্রশংসা করত। ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় তিনি “জয় জওয়ান, জয় কিষাণ” স্লোগানটি দিয়েছিলেন।
দেশ ও বিশ্বের ইতিহাসে ২রা অক্টোবর সংঘটিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলি নিচে দেওয়া হলো~
১৪৯২: ব্রিটেনের রাজা সপ্তম হেনরি ফ্রান্স আক্রমণ করেন।
১৮৬৯: গুজরাটের পোরবন্দরে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধী জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সত্য ও অহিংসার পথ অনুসরণ করে ভারতকে স্বাধীনতার পথে পরিচালিত করেছিলেন।
১৯০৪: ভারতের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী উত্তর প্রদেশের মুঘলসরাইতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বিখ্যাত স্লোগান ‘জয় জওয়ান, জয় কিষাণ’ প্রবর্তন করেছিলেন।
১৯২৪: লিগ অফ নেশনস-কে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রবর্তিত ১৯২৪ সালের জেনেভা প্রোটোকলটি সাধারণ পরিষদে গৃহীত হলেও পরবর্তীতে তা আর অনুমোদিত হয়নি।
১৯২৯: নিজের ৬০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মহাত্মা গান্ধী ‘নবজীবন’-এর কার্যালয়টিকে একটি পাবলিক ট্রাস্ট হিসেবে ঘোষণা করেন। গান্ধীজি তাঁর চিন্তাধারা এবং সত্য ও অহিংসার নীতি প্রচারের পাশাপাশি নিজের পত্রিকাগুলো (যেমন—নবজীবন ও ইয়াং ইন্ডিয়া) প্রকাশের লক্ষ্যে আহমেদাবাদ-ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছিলেন। এটিকে একটি ট্রাস্ট হিসেবে গঠন করার মূল উদ্দেশ্য ছিল বাণিজ্যিক মুনাফার উদ্দেশ্য থেকে প্রতিষ্ঠানটিকে মুক্ত রাখা এবং জনসেবায় নিয়োজিত করা।
১৯৫১: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ‘ভারতীয় জনসংঘ’ প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯৫২: মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ১৯৫২ সালের ২রা অক্টোবর ভারতে ‘কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম’ বা ‘সমষ্টিগত উন্নয়ন কর্মসূচি’ চালু করা হয়। এটি ছিল স্বাধীন ভারতের প্রথম বড় ধরনের গ্রামীণ উন্নয়ন কর্মসূচি। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু এই কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন। এর মূল লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ এলাকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন।
১৯৫৫: মাদ্রাজ (বর্তমান চেন্নাই)-এর পেরাম্বুরে অবস্থিত ‘ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি’-র উদ্বোধন করেন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু, ১৯৫৫ সালের ২রা অক্টোবর; ঠিক সেই দিনই কারখানাটিতে প্রথম রেল কোচ (শেল) তৈরি করা হয়েছিল। এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল ১৯৫২ সালে। এই কারখানাটি নির্মাণের প্রাথমিক খরচ ছিল প্রায় ৭.৪ কোটি টাকা।
১৯৬১: ‘ইস্টার্ন শিপিং কর্পোরেশন’ ও ‘ওয়েস্টার্ন শিপিং কর্পোরেশন’-এর একীভূতকরণের মাধ্যমে মুম্বাইতে ‘শিপিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া’ প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরুতে কোম্পানিটির মালিকানায় ছিল মাত্র ১৯টি জাহাজ।
১৯৬৮: দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা ‘ইন্সটিটিউশনাল রেভোলিউশনারি পার্টি’-র স্বৈরাচারী মনোভাব ও দমনমূলক নীতির বিরুদ্ধে মেক্সিকোর শিক্ষার্থী ও নাগরিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল।
মেক্সিকো সরকার অলিম্পিক গেমস আয়োজনের পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় করছিল, অথচ সাধারণ মানুষ তখন অর্থনৈতিক বৈষম্য ও দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করছিল। গেমস শুরুর আগেই শিক্ষার্থীরা এই আয়োজনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছিল। সেই বিক্ষোভের সময় পুলিশের সাথে সংঘর্ষে সরকারি নথিপত্র ও তৎকালীন গণমাধ্যমের প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ২৫ থেকে ২৬ জনের মৃত্যুর কথা জানা যায়; তবে স্বাধীন তদন্তকারী, প্রত্যক্ষদর্শী এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা ছিল ৩০০-এরও বেশি। এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি ‘তলাতেলোলকো গণহত্যা’ নামে পরিচিত, যা মেক্সিকো সিটির ‘প্লাজা দে লাস ত্রেস কালতুরাস’-এ সংঘটিত হয়েছিল।
১৯৭১: তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ভি. ভি. গিরি ‘গান্ধী সদন’ নামে পরিচিত বিড়লা হাউসকে জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেন। ঠিক এই স্থানটিতেই মহাত্মা গান্ধীকে হত্যা করা হয়েছিল।
১৯৮২: ইরানের রাজধানী তেহরানে একটি শক্তিশালী ট্রাক-বোমা বিস্ফোরণে ৬০ জন নিহত এবং ৭০০-এরও বেশি মানুষ আহত হন। তেহরানের প্রধান সড়ক ‘নাসের-খসরু অ্যাভিনিউ’-এর পাশে অবস্থিত একটি পাঁচতলা হোটেলের বাইরে রাখা একটি ট্রাকে প্রায় ৩৩০ পাউন্ড (১৫০ কেজি) টিএনটি বিস্ফোরক লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
১৯৮৫: সমগ্র ভারতে ‘যৌতুক নিরোধ (সংশোধনী) আইন, ১৯৮৪’ কার্যকর করা হয়। যদিও মূল ‘যৌতুক নিরোধ আইন’ ১৯৬১ সালে প্রণীত হয়েছিল, তবুও এর ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করে আইনটিকে আরও কঠোর ও কার্যকর করার লক্ষ্যে ১৯৮৪ সালে এতে গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী আনা হয়; এই সংশোধনীগুলো ১৯৮৫ সালের ২রা অক্টোবর—অর্থাৎ মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকীতে—কার্যকর হয়।
​১৯৮৮: দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে ২৪তম অলিম্পিক গেমস সফলভাবে সমাপ্ত হয়। ১৯৮৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই গেমসে ১৫৯টি দেশের ৮,৪০০-এরও বেশি ক্রীড়াবিদ অংশগ্রহণ করেন।
১৯৮৮: তামিলনাড়ুর মান্দাপাম ও পাম্বান (রামেশ্বরম দ্বীপ)-এর মধ্যবর্তী সমুদ্রের ওপর নির্মিত দেশের দীর্ঘতম সড়ক সেতু—’আন্নাই ইন্দিরা গান্ধী রোড ব্রিজ’ (পাম্বান রোড ব্রিজ)—উদ্বোধন করা হয়। এই সেতুটি তামিলনাড়ুর মূল ভূখণ্ডের সাথে রামেশ্বরম দ্বীপকে সংযুক্ত করেছে। এর আগে, ১৯১৪ সালে নির্মিত পাম্বান রেল সেতুটিই ছিল যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম।
২০০০: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তাঁর প্রথম সরকারি সফরে দিল্লিতে আসেন। এই সফরের সময় ‘কৌশলগত অংশীদারিত্ব বিষয়ক ঘোষণা’ স্বাক্ষরিত হয়, যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করে এবং দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী ও আস্থার সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
​২০০১: ১৯টি দেশের জোট ‘নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন’ (ন্যাটো) আফগানিস্তানে হামলার অনুমোদন দেয়।
২০০২: যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি.সি., মেরিল্যান্ড ও ভার্জিনিয়া এলাকায় ধারাবাহিক ও রহস্যময় স্নাইপার হামলার ঘটনা শুরু হয়। এটি ছিল এক সুপরিকল্পিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, যার ফলে পরবর্তী তিন সপ্তাহের মধ্যে অতর্কিত হামলায় ১০ জন নিহত হন।
২০০৩: হাঙ্গেরির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পিটার মেদগিয়েসি ছয় দিনের সরকারি সফরে ভারত সফর করেন। ২৯ বছরের মধ্যে কোনো হাঙ্গেরীয় প্রধানমন্ত্রীর এটিই ছিল প্রথম ভারত সফর। এই সফরের সময় ভারত ও হাঙ্গেরির মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান এবং দ্বৈত কর পরিহারের মতো বিষয়গুলো নিয়ে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
২০০৪: গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোতে জাতিসংঘের মিশনের জন্য অতিরিক্ত ৫,৯০০ সেনা ও পুলিশ সদস্য মোতায়েনের একটি প্রস্তাব জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করে। এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য ছিল কঙ্গোর অস্থিতিশীল পূর্বাঞ্চলে সহিংসতা দমন করা, শান্তি প্রতিষ্ঠা করা এবং চলমান শান্তি প্রক্রিয়াকে জোরদার করা।
​২০০৫: যুক্তরাষ্ট্রের আপস্টেট নিউ ইয়র্কের লেক জর্জে পর্যটকদের নিয়ে পূর্ণ ‘ইথান অ্যালেন’ নামের একটি পর্যটকবাহী নৌকা হঠাৎ উল্টে যায়। নৌকার এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় বিশজন বয়স্ক ব্যক্তি প্রাণ হারান।
২০০৬: দক্ষিণ আফ্রিকা ভারতের পারমাণবিক কর্মসূচির জন্য পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহের বিষয়ে ভারতকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নেয়। সে সময় বেসামরিক পারমাণবিক শক্তির ক্ষেত্রে ভারত বিশ্বমঞ্চে একঘরে হয়ে পড়েছিল, কারণ দেশটি ‘পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি’তে স্বাক্ষর করেনি।
​২০০৭: উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-ইল এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট রোহ মু-হিউনের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়। এই সম্মেলনটি আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০৭ সালের ৪ অক্টোবর পর্যন্ত চলে। বৈঠকের শেষে উভয় নেতা একটি শান্তি ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন, যেখানে ১৯৫০-১৯৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটাতে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির আহ্বান জানানো হয়।
​২০০৮: সাবপ্রাইম মর্টগেজ সংকট মোকাবিলা এবং ধুঁকতে থাকা ব্যাংকগুলোকে উদ্ধারের লক্ষ্যে মার্কিন সিনেট ৭০০ বিলিয়ন ডলারের একটি বেলআউট প্যাকেজ অনুমোদন করে।
২০০৯: প্রবল বর্ষণের ফলে কৃষ্ণা ও তুঙ্গভদ্রা নদীতে ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। এই দুর্যোগে কর্ণাটকে প্রায় ৬০ জন এবং অন্ধ্র প্রদেশে ২৬ জন প্রাণ হারান; এছাড়া একাই কুরনুল শহরের অর্ধেক অংশ পানির নিচে তলিয়ে যায়।
​​২০০৯: ইতালির সিসিলি দ্বীপে প্রবল বৃষ্টিপাতজনিত বন্যা ও ভূমিধসের ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এই দুর্যোগে অন্তত ১৮ জন প্রাণ হারান এবং অনেকে নিখোঁজ হন, যার ফলে ইতালি সরকার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে বাধ্য হয়।
২০০৯: ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) ১২১তম অধিবেশনে ২০১৬ সালের ৩১তম গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস আয়োজনের দায়িত্ব ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো শহরকে প্রদান করা হয়।
​২০১০: ইন্দোনেশিয়ার জাভা প্রদেশে দুটি যাত্রীবাহী ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এই মর্মান্তিক রেল দুর্ঘটনায় অন্তত ৪৪ জন নিহত এবং বহু যাত্রী গুরুতরভাবে আহত হন।
২০১০: পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে ন্যাটো বাহিনীর জন্য জ্বালানি বহনকারী প্রায় ৪০টি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে সন্ত্রাসীরা আগুন ধরিয়ে দেয়।
​২০১০: পাকিস্তানের উপজাতীয় অঞ্চল উত্তর ওয়াজিরিস্তানের দাতা খেল এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ দুটি পৃথক ড্রোন হামলা চালায়। এসব হামলায় ১৭ থেকে ১৮ জন সন্দেহভাজন জঙ্গি নিহত হয়।
২০১০: চীনের শিয়ান শহরে নির্মাণাধীন একটি ভবন হঠাৎ ধসে পড়ে; এতে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আটজন শ্রমিক নিহত হন।
​২০১১ সাল: উত্তরাখণ্ডের উধম সিং নগর জেলার রুদ্রপুর শহরের ভাদাইপুরা এলাকায় একটি ধর্মীয় গ্রন্থ অবমাননার (গ্রন্থের পাতা বিকৃত অবস্থায় পাওয়া যাওয়া) ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে; পরিস্থিতি দ্রুত বড় ধরনের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার রূপ নেয়। এই সহিংসতা ও পরবর্তী পুলিশি পদক্ষেপে চারজন প্রাণ হারান এবং বহু মানুষ গুরুতরভাবে আহত হন। দাঙ্গাকারীরা অসংখ্য দোকানপাট, বাড়িঘর ও বহু যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে, যার ফলে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির ক্ষতি হয়।
​​২০১২: উত্তর-পূর্ব নাইজেরিয়ার আদামাওয়া রাজ্যের মুবিতে অবস্থিত ফেডারেল পলিটেকনিক কলেজের ক্যাম্পাসের বাইরের একটি ছাত্রাবাসে সামরিক পোশাক পরিহিত অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা রাতের অন্ধকারে প্রবেশ করে এবং নির্মমভাবে ২০ জন শিক্ষার্থীকে হত্যা করে।
২০১৩: যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসিতে একটি চার্চের বাস, একটি এসইউভি এবং একটি ট্রাক্টর-ট্রেলারের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ঘটে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আটজন নিহত এবং আরও ১৪ জন গুরুতরভাবে আহত হন।
​২০১৩: উত্তর ইরাকে বিদ্রোহীরা একটি সামরিক হেলিকপ্টার গুলি করে ভূপাতিত করে, যার ফলে এতে থাকা চারজন ক্রু সদস্যই নিহত হন।
২০১৩: বাজেট পাস করতে ব্যর্থতার জেরে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি কার্যক্রম আংশিক বন্ধের (শাটডাউন) দ্বিতীয় দিন অতিবাহিত হয়; এর ফলে প্রায় ৮ লাখ সরকারি কর্মচারী বিনা বেতনে ঘরে বসে থাকতে বাধ্য হন।
​২০১৩: ২রা অক্টোবর রাতে এবং ৩রা অক্টোবর ভোরে আসামের গোয়ালপাড়া জেলায় ইটভাটার শ্রমিকবাহী দুটি মিনিভ্যানকে একটি দ্রুতগামী ট্রাক চাপা দেয়। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ১৩ জন শিশু ও ৫ জন নারীসহ মোট ৩০ জন প্রাণ হারান।
২০১৪: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজঘাট থেকে ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান’-এর সূচনা করেন। মহাত্মা গান্ধীর ১৫০তম জন্মবার্ষিকীর (২০১৯ সাল) মধ্যে দেশকে পরিচ্ছন্ন করে তোলার যে স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি জাতীয় আন্দোলন হিসেবে এই অভিযানের সূচনা করা হয়েছিল।
​​২০১৫: প্রবল বর্ষণের ফলে সৃষ্ট এক বিশাল ভূমিধস মধ্য আমেরিকার দেশ গুয়াতেমালার সান্তা কাতারিনা পিনুলা এলাকায় আঘাত হানে। প্রাথমিকভাবে ৫৬ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায় এবং ৬০০-এরও বেশি মানুষ নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া যায় (পরবর্তীতে মৃতের সংখ্যা ২৮০ ছাড়িয়ে যায়)।
২০১৫: ৩৩ জন নাবিক ও কর্মীসহ যুক্তরাষ্ট্রের কার্গো জাহাজ ‘এল ফারো’ (El Faro) ক্যারিবীয় সাগরে ‘ক্যাটাগরি ৪’ মাত্রার বিপজ্জনক হারিকেন ‘জোয়াকিন’-এর কবলে পড়ে নিখোঁজ হয়ে যায়; পরবর্তীতে জাহাজের কর্মীদের মৃত ঘোষণা করা হয়।
২০১৫: ইন্দোনেশিয়ায় উড্ডয়নের পরপরই ‘অ্যাভিয়াস্টার ফ্লাইট ৭৫০৩’ (একটি টুইন অটার বিমান) নিখোঁজ হয়ে যায়। পরবর্তীতে পাহাড়ি এলাকায় বিমানটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায় এবং এতে থাকা ১০ জন আরোহীর সবাই প্রাণ হারান।
২০১৫: পেরুর হুয়ারমাকায় একটি বাস খাদে পড়ে ২২ জন নিহত হন। একই সময়ে ফিলিপাইনের সাররাতে একটি ভারী ট্রাক ও জিপের সংঘর্ষে ১৩ জন প্রাণ হারান।
২০১৫: উত্তর প্রদেশের দাদরিতে মোহাম্মদ আখলাককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাটি—যা সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ঘটেছিল—২০১৫ সালের ২রা অক্টোবর আন্তর্জাতিক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। সেদিন টুইটারে #internationalshame-এর মতো হ্যাশট্যাগগুলো বিশ্বজুড়ে ট্রেন্ডিং তালিকায় উঠে এসেছিল।
২০১৫: হ্যাকাররা ক্রেডিট এজেন্সি ‘এক্সপেরিয়ান’-এর সার্ভারে অনধিকার প্রবেশ করে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ টি-মোবাইল গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে।
​২০১৬: ইথিওপিয়ার বিশোফতুতে একটি ধর্মীয় উৎসবের (ইরিচা উৎসব) সময় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ ও বলপ্রয়োগ করার পর সৃষ্ট ব্যাপক পদদলনের ঘটনায় ৫০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারান।
২০১৬: লিবিয়ার সিরতে আইএসআইএল-এর স্নাইপার হামলায় প্রখ্যাত ডাচ ফটোসাংবাদিক জেরোয়েন ওয়েরলেমানস নিহত হন।
​২০১৬: কলম্বিয়ায় অনুষ্ঠিত এক ঐতিহাসিক গণভোটে ভোটাররা সরকার ও বামপন্থী বিদ্রোহী গোষ্ঠী ফার্ক-এর মধ্যকার শান্তি চুক্তিটি প্রত্যাখ্যান করেন। চুক্তির বিপক্ষে ৫০.২১ শতাংশ এবং পক্ষে ৪৯.৭৮ শতাংশ ভোট পড়ে; অর্থাৎ ০.৪ শতাংশেরও কম ব্যবধানে চুক্তিটি প্রত্যাখ্যাত হয়।
​২০১৭: ফ্রান্সের মার্সেই রেলওয়ে স্টেশনে ছুরিধারী এক হামলাকারী দুই নারীকে হত্যা করে। সন্ত্রাসী সংগঠন আইএসআইএল এই হামলার দায় স্বীকার করে।
২০১৭: সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের আল-মিদান এলাকায় একটি পুলিশ স্টেশনে দুজন আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী হামলা চালায়, যাতে অন্তত ১৫ জন নিহত হন।
​২০১৮: তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অবস্থিত সৌদি কনস্যুলেটের ভেতরে সৌদি এজেন্টদের হাতে নৃশংসভাবে খুন হন বিশিষ্ট সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি।
২০১৮: পশ্চিম ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় ৩৪ জন অভিবাসী প্রাণ হারান; এ ঘটনায় মরক্কোর নৌবাহিনী ২৬ জনকে উদ্ধার করে।
২০১৮: আফগানিস্তানের নানগারহার প্রদেশে একটি নির্বাচনী জনসভায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১৩ জন নিহত এবং ৩০ জনেরও বেশি মানুষ গুরুতর আহত হন।
​২০১৯: কানেকটিকাটের ব্র্যাডলি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড্ডয়নের পরপরই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-যুগের একটি ঐতিহাসিক বোয়িং বি-১৭জি ‘ফ্লাইং ফোর্ট্রেস’ বিমান (যার নাম ছিল ‘নাইন-ও-নাইন’) বিধ্বস্ত হয়। বিমানটিতে তিনজন ক্রু-সদস্য ও দশজন যাত্রীসহ মোট ১৩ জন আরোহী ছিলেন। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় সাতজন প্রাণ হারান এবং বাকি ছয়জন গুরুতর আহত হন; এছাড়া মাটিতে থাকা আরও একজন ব্যক্তিও আহত হন।
​২০১৯: নিউজিল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলীয় তারারুয়া রেঞ্জে একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মর্মান্তিকভাবে দুজন প্রাণ হারান; নিহতদের মধ্যে ছিলেন নিউজিল্যান্ড ফায়ার সার্ভিসের সাবেক প্রধান নির্বাহী মাইক হল।
২০২০: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হন। এরপর ট্রাম্পকে একটি সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল।
​২০২০: আফগানিস্তানের লঘমান প্রদেশের গভর্নরের গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে চালানো এক ভয়াবহ আত্মঘাতী বোমা হামলায় আটজন নিহত এবং ৩৮ জনেরও বেশি মানুষ আহত হন।
২০২০: ভারতে করোনাভাইরাস মহামারি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছিল; দেশটিতে মোট মৃতের সংখ্যা ৯৮,০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছিল এবং তা ১,০০,০০০-এর সংখ্যার কাছাকাছি পৌঁছেছিল।
২০২১: আফগানিস্তানের জালালাবাদে আইএসআইএস-কে সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়; এতে সাধারণ নাগরিক ও তালেবান যোদ্ধাসহ চারজন নিহত হন।
২০২১: পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তের কাছে উত্তর ওয়াজিরিস্তানের স্পিনওয়াম এলাকায় বন্দুকধারীদের হামলায় পাকিস্তানের পাঁচজন নিরাপত্তা কর্মী নিহত হন।
২০২১: নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) মুম্বাই থেকে গোয়াগামী একটি প্রমোদতরীতে আয়োজিত ‘রেভ পার্টি’তে অভিযান চালায়। এই অভিযানের সময় মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয় এবং বলিউড অভিনেতা শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খানকে আটক করা হয়; পরবর্তীতে ৩ অক্টোবর তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়।
​২০২২ সাল: নেপালে অবস্থিত বিশ্বের অষ্টম সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট মানাসলুর বেস ক্যাম্পে এক বিশাল তুষারধস আঘাত হানে। তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের প্রাণহানির কোনো খবর পাওয়া না গেলেও, পরপর কয়েকটি তুষারধসের ফলে পর্বতারোহীদের ক্যাম্পগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং বেশ কয়েকজন পর্বতারোহী আটকা পড়েন।
​২০২৩: দক্ষিণ চীন সাগরের স্কারবোরো শোল-এর প্রায় ৮৫ নটিক্যাল মাইল (১৫৭ কিমি) উত্তর-পশ্চিমে একটি অজ্ঞাত বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজের সাথে সংঘর্ষের ফলে ফিলিপাইনের একটি মাছ ধরার নৌকা (এফএফবি ডিয়ারিন) ডুবে যায়। এই মর্মান্তিক ঘটনায় নৌকার ক্যাপ্টেনসহ তিনজন ফিলিপিনো জেলে প্রাণ হারান।
২০২৩: ইরানের রাজধানী তেহরানের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে বিস্ফোরণের ঘটনায় একজন নিহত এবং আরও চারজন আহত হন।
​​২০২৩: মণিপুরে শিক্ষার্থীদের হত্যার ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনী আরও চার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার লক্ষ্যে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ৬ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
২০২৪: নাইজেরিয়ার নাইজার নদীতে প্রায় ৩০০ যাত্রী নিয়ে একটি কাঠের নৌকা ডুবে গেছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ১০০ জনেরও বেশি মানুষ—যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু—নিখোঁজ হয়েছে এবং প্রায় ১৫০ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।
​২০২৪: জাপানের মিয়াজাকি বিমানবন্দরের একটি ট্যাক্সিওয়ের নিচে পুঁতে রাখা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-আমলের একটি মার্কিন বোমা হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়। এই বিস্ফোরণে রানওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ৮০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হতে হয়।
২০২৪: ইসরায়েলের জাফায় এক বন্দুকধারীর গুলিবর্ষণের ঘটনায় সাতজন নিহত হন; অন্যদিকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় ৫১ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারান।
২০২৪: মহারাষ্ট্রের পুনেতে একটি ব্যক্তিগত হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে এর আরোহী তিনজন—দুই পাইলট ও এক প্রকৌশলী—ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
​২০২৪: মধ্যপ্রদেশের খান্ডওয়ায় দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে ভক্তদের বহনকারী একটি ট্রাক্টর পুকুরে উল্টে পড়লে ১১ জনের মৃত্যু হয়।
২০২৫: যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টারে পবিত্র উৎসব ‘ইওম কিপুর’ চলাকালীন হিটন পার্ক সিনাগগের (ইহুদিদের উপাসনালয়) বাইরে এক ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় দুজন নিহত ও চারজন আহত হন।
২০২৫: ইরানের রাজধানী তেহরানের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে হঠাৎ এক বিশাল বিস্ফোরণ ঘটে।
এই দুর্ঘটনায় একজন নিহত এবং আরও চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
২রা অক্টোবর যাদের জন্ম~
১৪৫২: তৃতীয় রিচার্ড – ইংল্যান্ডের একজন বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক রাজা।
১৮৪৭: পল ফন হিন্ডেনবার্গ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কার প্রখ্যাত জার্মান জেনারেল এবং জার্মানির প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি।
১৮৫২: স্যার উইলিয়াম র‍্যামজে – একজন মহান ব্রিটিশ রসায়নবিদ যিনি নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন।
১৮৬৯: মহাত্মা গান্ধী – ভারতের জাতির জনক এবং এক মহান স্বাধীনতা সংগ্রামী, যিনি বিশ্বকে অহিংসা ও সত্যের শিক্ষা দিয়েছিলেন।
১৮৭১: কর্ডেল হাল – যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, জাতিসংঘের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী।
১৮৯৮: প্রজাপতি মিশ্র – বিহারের একজন বিশিষ্ট গান্ধীবাদী গঠনমূলক কর্মী ও স্বাধীনতা সংগ্রামী।
১৯০০: লীলা নাগ – একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক ও নারী বিপ্লবী।
১৯০১: গোকুল লাল আসাওয়া – দেশের স্বাধীনতায় অবদান রাখা বিপ্লবীদের একজন।
১৯০৪: লাল বাহাদুর শাস্ত্রী – ভারতের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী, যিনি ‘জয় জওয়ান, জয় কিষাণ’ বিখ্যাত স্লোগানটি দিয়েছিলেন।
১৯০৪: গ্রাহাম গ্রিন – একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও লেখক।
১৯২৪: তপন সিনহা – একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক।
১৯৩৩: শঙ্কর শেষ – একজন প্রখ্যাত হিন্দি নাট্যকার ও চিত্রনাট্যকার।
১৯৪২: আশা পারেখ – হিন্দি চলচ্চিত্রের (বলিউড) প্রখ্যাত ও প্রবীণ অভিনেত্রী।
১৯৪৮: ডোনা কারান – আমেরিকান ফ্যাশন ডিজাইনার এবং বিশ্ববিখ্যাত পোশাকের ব্র্যান্ড ‘ডিকেএনওয়াই’-এর প্রতিষ্ঠাতা।
১৯৫৫: হরিশ সালভে – ভারতের প্রাক্তন সলিসিটর জেনারেল এবং দেশের অন্যতম বিশিষ্ট আইনজীবী।
১৯৬৬: কে কে মেনন – ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা ও প্রভাবশালী অভিনেতা।
১৯৭৪: প্রীতম সিওয়াচ – ভারতীয় নারী হকি দলের প্রাক্তন অধিনায়ক।
১৯৭৮: রচনা ব্যানার্জি – বাংলা ও ওড়িয়া চলচ্চিত্রের বিখ্যাত অভিনেত্রী এবং টিভি উপস্থাপিকা।
১৯৭৯: হ্যাংপান দাদা – ভারতীয় সেনাবাহিনীর এক সাহসী সৈনিক ও শহীদ, যিনি মরণোত্তর ‘অশোক চক্র’ সম্মানে ভূষিত হন।
১৯৮৭: হিনা খান – ভারতের জনপ্রিয় টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।
১৯৯২: অ্যালিসন বেকার – ব্রাজিল ও লিভারপুল এফসি-র বিশ্বখ্যাত ফুটবল গোলরক্ষক।
১৯৯৭: লাভলিনা বোরগোহাইন – একজন ভারতীয় বক্সার।
২রা অক্টোবর যাদের মৃত্যু হয়~
১৮০৩: স্যামুয়েল অ্যাডামস – যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ।
১৯০৬: রাজা রবি বর্মা – ভারতের একজন বিখ্যাত ও মহান চিত্রশিল্পী।
১৯২৭: সভান্তে আরহেনিয়াস – প্রখ্যাত সুইডিশ বিজ্ঞানী ও নোবেলজয়ী রসায়নবিদ।
১৯৬৪: রাজকুমারী অমৃত কৌর – বিশিষ্ট গান্ধীবাদী, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং ভারতের প্রথম স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
১৯৬৮: মার্সেল দুশঁ – বিপ্লবী ফরাসি চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর, যাঁকে আধুনিক শিল্পের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
১৯৭০: লীলা নাগ (লীলা রায়) – প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক, নারী স্বাধীনতা সংগ্রামী ও সমাজ-বিপ্লবী।
​১৯৭৩: পাভো নুরমি – ফিনল্যান্ডের কিংবদন্তি দৌড়বিদ যিনি অলিম্পিক গেমসে নয়টি স্বর্ণপদক জয় করেছিলেন।
১৯৭৫: কে. কামরাজ – ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত রাজনীতিবিদ, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
১৯৮২: সি. ডি. দেশমুখ – রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার প্রথম ভারতীয় গভর্নর এবং দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী।
২০১৮: জামাল খাশোগি – সৌদি আরবের প্রখ্যাত সাংবাদিক ও লেখক, যিনি ইস্তাম্বুলে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন।
​গুরুত্বপূর্ণ দিনসমূহ~
মহাত্মা গান্ধী জয়ন্তী: মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকী।
লাল বাহাদুর শাস্ত্রী জয়ন্তী: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর জন্মবার্ষিকী।
আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবস: মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতি বছর ২রা অক্টোবর এই দিনটি পালন করা হয়। ২০০৭ সালের ১৫ই জুন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব পাসের মাধ্যমে এই দিনটি প্রবর্তন করা হয়। শিক্ষা ও জনসচেতনতার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে অহিংসা, শান্তি ও সহনশীলতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই এর উদ্দেশ্য।
​​
​

About Author

Advertisement