ছয়টি নদী অববাহিকা জুড়ে সম্প্রসারিত করা হবে আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা
কাঠমান্ডু: বন্যা এবং হিমবাহ হ্রদ ফেটে সৃষ্ট বন্যার ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে নেপাল সরকার চারটি বড় হিমবাহ হ্রদের পানির স্তর কমিয়ে আনার এবং ছয়টি নদী অববাহিকা জুড়ে আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ‘সেন্টার ফর হাইড্রোলজি অ্যান্ড ওয়াটার রিসোর্সেস রিসার্চ’ এবং ‘ডিপার্টমেন্ট অফ হাইড্রোলজি অ্যান্ড মেটিওরোলজি’—উভয়ই জ্বালানি, পানি সম্পদ ও সেচ মন্ত্রণালয়ের অধীন—রবিবার পৃথক শ্বেতপত্রের মাধ্যমে এই উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে।
এই শ্বেতপত্রগুলোতে হিমবাহ হ্রদ থেকে সৃষ্ট বন্যার ঝুঁকি হ্রাস, আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর কাছে সময়মতো তথ্য পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরা হয়েছে। এই উদ্যোগটি আবহাওয়া পূর্বাভাসের ক্ষেত্রে আধুনিক যন্ত্রপাতির সংখ্যা বৃদ্ধি এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর জোর দেয়।
তবে, এই পরিকল্পনাগুলোর সফল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ধারাবাহিক বাজেট বরাদ্দ, দক্ষ জনবলের প্রাপ্যতা এবং সরঞ্জামের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণকে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
হিমবাহ হ্রদজনিত ঝুঁকি প্রশমনের লক্ষ্যে চালু করা ‘গ্লোফ সঞ্জীবনী’ প্রকল্পের আওতায় থুলাগি হ্রদ (মানাং জেলা), লোয়ার বারুন হ্রদ (সংখুভাসভা জেলা) এবং লুমডিং সো ও হঙ্গু-২ হ্রদের (সোলুখুম্বু জেলা) পানির স্তর কমিয়ে আনা হবে।
উল্লেখ্য যে, হিমবাহ হ্রদ ফেটে গিয়ে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ভাটির অঞ্চলে বসবাসকারী জনগোষ্ঠী, অবকাঠামো এবং জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে; নেপাল সরকার এই ধরনের ঝুঁকির বিরুদ্ধে সুরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।





