আন্দামানে দীপান্তর অগ্নিকন্যা বিপ্লবী উজ্জ্বলা মজুমদার

IMG-20260615-WA0073

বেবি চক্রবর্ত্তী

পরাধীন ভারতের মুক্তির আন্দোলনে নিজের জীবনকে বাজি রেখে সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলন যোগদান করেন উজ্জ্বলা মজুমদার। তিনি একজন বাঙালি সশস্ত্র বিপ্লববাদী নারী ও সমাজকর্মী। ১৯১৪ সালে ২১ শে নভেম্বর ঢাকা শহরের এক নামকরা জমিদার পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম সুরেশচন্দ্র মজুমদার। আট বছর বয়সে উজ্জ্বলার মাতৃবিয়োগ হয়। পিতা বিপ্লবীদের সঙ্গে নানাভাবে কাজ করতেন। কলকাতা থেকে অস্ত্র নিয়ে যাওয়ার জন্যে তিনি উজ্জ্বলার সাহায্য নেন। উজ্জ্বলা নিজের কোমরে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বিপ্লবীদের পৌঁছে দিয়েছিলেন মাত্র চোদ্দ বছর বয়েসেই। তার বাড়িতে বিভিন্ন বিপ্লবীরা নিয়মিত আসতেন। বিপ্লবী সুকুমার ঘোষ ও মনোরঞ্জন ব্যানার্জী ছিলেন তার গৃহশিক্ষক। গ্রামে থাকার কারণে তার পাঠ্যজীবন দেরীতে শুরু হয়।

তিনি ২০ বছর বয়েসে ম্যাট্রিক পাশ করেন।গভর্নর এন্ডারসনকে হত্যা চেষ্টা করেন। শ্রীমতি মজুমদার বেঙ্গল ভলেনটিয়ার্স দলে যোগ দিয়েছিলেন অল্প বয়েসেই। তিনি বেড়াতে যাওয়ার নাম করে দার্জিলিং চলে যান ভবানীপ্রসাদ ভট্টাচার্য, সুকুমার ঘোষ, রবি ব্যানার্জি ও আরো কয়েকজন বিপ্লবী কর্মীবৃন্দর সাথে গভর্নর এন্ডারসন হত্যায় অংশ নিতে। উজ্জ্বলা হারমোনিয়ামের মধ্যে করে লুকিয়ে নিয়ে আসেন মারণাস্ত্রটি। তিনি ও মনোরঞ্জন এক হোটেলে ওঠেন স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে। ৮ মে ১৯৩৪ দার্জিলিং লেবং রেসকোর্সের মাঠে বিপ্লবী ভবানীপ্রসাদ ভট্টাচার্য গুলি করেন গভর্নরকে কিন্ত তিনি অল্পের জন্যে বেঁচে যান। ভবানী ধরা পড়ে যান। পরে তার ফাঁসি হয়। মনোরঞ্জন ব্যানার্জীর সাথে উজ্জ্বলা ছদ্মবেশ ধরে কলকাতায় পালিয়ে আসেন ও শোভারানি দত্তর বাসায় আশ্রয় নেন। ১৮ মে সেখানে তাদের পুলিশ গ্রেফতার করে।স্পেশাল ট্রাইবুনালে তার ১৪ বছর কারাদন্ড হয়। তাকে মেদিনীপুর সেন্ট্রাল জেলে পাঠান হয়। মহাত্মা গান্ধীর চেষ্টায় তিনি ১৯৩৯ সালের এপ্রিল মাসে ঢাকা জেল থেকে মুক্তি পান। কলকাতাতে ১৯৪২ এ ভারত ছাড়ো আন্দোলনে যোগ দিয়ে পুনরায় কারাবরণ করেন। চার বছর প্রেসিডেন্সী জেলে থাকার পর ১৯৪৬ সালে ছাড়া পান। পরে ফরওয়ার্ড ব্লক দল গঠনে অগ্রণী হয়েছিলেন।জেলের ভেতরেই পড়াশোনা করে বি এ পাশ করেন। মুক্তি পেয়ে নানা জনকল্যাণমূলক কাজে জড়িত ছিলেন। নোয়াখালী দাঙ্গার সময় আক্রান্ত, দাংগা বিধ্বস্ত এলাকায় গিয়ে ত্রাণের কাজ করেছেন। বারাসাতের কাছে অনুন্নত শ্রেণীর উন্নতিকল্পে ‘পল্লী নিকেতন’ নামে প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা তার অন্যতম কৃতিত্ব। রাজারহাট থানার কয়েকটি গ্রামে সমাজসেবার কাজে নিযুক্ত ছিলেন। ১৯৪৮ সালে ১১ ই মার্চ তিনি বিয়ে করেছিলেন বিখ্যাত বিপ্লবী ও সাহিত্যিক ভূপেন্দ্রকিশোর রক্ষিত রায়কে।ভারতের রাজনৈতিক অবস্থা ১৯৩০ থেকে ১৯৩২ সাল বাংলার ইতিহাসে তথা ভারতের ইতিহাসে এসেছিল মহা কর্মসাধনার কাল। একদিকে অসহযোগ আন্দোলন করে তুলেছিল সমগ্র ভারতবর্ষকে ইংরেজ বিরোধী, অন্যদিকে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন, রাইটার্স বিল্ডিংসে বিপ্লবীদের কাণ্ড,লোম্যান-সিম্পসন-পেডি-গার্লিক- স্টিভেন্স -ক্যামেরন- ডগলাস-বার্জ হত্যা এবং হডসন-নেলসন-ভিলিয়ার্স-ক্যাসেল-গ্রাসবি-ডুনো- জ্যাকসন প্রমুখের রক্তাক্ত রূপ ভারতবাসীকে বিস্মিত করে তুলেছিল এবং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদীকে ভয়স্তম্ভিত করে দিয়েছিল।এদেশের নারী তখন প্রত্যক্ষ সংগ্রামে অবতীর্ণ। শান্তি, সুনীতি ম্যাজিস্ট্রেট স্টিভেন্সকে নিহত করেছেন। বীণা দাস কলিকাতা সেনেট-হলে গভর্নর জ্যাকসনকে গুলী করেছেন, প্রীতিলতা ওয়াদ্দাদার শহীদ হয়েছেন। ওদিকে ‘বেণু’, ‘স্বাধীনতা’ পত্রিকা এবং ‘চলার পথে’ প্রভৃতি পুস্তক বিপ্লবের পথে আত্মহুতি দেবার জন্য যুব-বাংলাকে প্রভাবিত করেছিল।অন্যান্য বিপ্লবীদের জীবন ও কাজ দেখে উজ্জ্বলা ছাত্রী ও তরুণীদের মধ্যে বিপ্লবের বীজ অঙ্কুরিত করে চলেছিলেন। তাদের বাড়িটা তখন ছিল বিপ্লবীদের একটা আড্ডা। নির্বিরোধ বিমাতা এবং স্নেহাশীলা ঠাকুরমা কোনোদিকেই নজর দিতে পারতেন না। পিতাও অধিকাংশ সময় ব্যবসায় উপলক্ষে কলিকাতা থাকতেন। প্রথমজীবনে গ্রামে থাকায় উজ্জ্বলার পাঠ্যজীবন দেরিতে আরম্ভ হয়। প্রায় কুড়িবছর বয়সে তিনি ম্যাট্রিক পরীক্ষা দেন। ঠাকুরমাদের জানালেন পরীক্ষার পর বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছেন কয়েকদিনের জন্য। বাড়ি থেকে বেরিয়ে বিপ্লবী বন্ধুদের সঙ্গে একবস্ত্রে চলে আসেন তিনি কলিকাতা, তারপর দার্জিলিং। দার্জিলিং পৌঁছে তারা শুনলেন গভর্নর একটি ‘ফ্লাওয়ার শো’- তে আসছেন। কৌশলে তারা সেখানে উপস্থিত হলেন, কিন্তু কাজ সমাধা করা সম্ভব হ’ল না। তবু তারা উৎসাহ হারালেন না।১৯৩৪ সালের মে মাসে পুলিসের সমস্ত সতর্কতা উপেক্ষা করে কয়েকটি তরুণ ও একটি তরুণী দার্জিলিং এসে পৌঁছলেন একটা দৃঢ় সংকল্প নিয়ে। দার্জিলিং-এর স্নো-ভিউ হোটেলে উঠলেন উজ্জ্বলা মজুমদার ও মনোরঞ্জন ব্যানার্জী এবং জুবিলি স্যানাটোরিয়ামে উঠলেন ভবানী ভট্টাচার্য এবং রবি ব্যানার্জী। একটি হারমোনিয়ামের মধ্যে উজ্জ্বলা মজুমদার এনেছিলেন দুটি আগ্নেয়াস্ত্র। গভর্নর অ্যান্ডারসানের উপর আক্রমণের জন্য। ৮ মে ১৯৩৪ সালে যে অ্যান্ডারসনকে বিপ্লবীরা গুলি করার জন্য কার্যস্থির করেন। তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রবল প্রতাপশালী গভর্নর। পরবর্তিতে অ্যান্ডারসনকে হত্যার প্রচেষ্টার জন্যেই ফাঁসি হয় বিপ্লবী ভবানীপ্রসাদ ভট্টাচার্যের। বর্তমান ‘অ্যান্ডারসন হাউজ’ এখন ‘ভবানীভবন’ নামে পরিচিত। লেবং রেসকোর্সে আক্রমন সেদিন ৮ মে ১৯৩৪ সাল দার্জিলিং শহরে লেবং- এর মাঠে ঘোড়দৌড় হচ্ছে। গভর্নর অ্যান্ডারসন উপস্থিত থাকবেন। স্যানাটোরিয়াম থেকে দামী ইওরোপীয় পোশাক পরে ভবানী ভট্টাচার্য ও রবি ব্যানার্জী বের হলেন। তাদের সঙ্গে লুক্কায়িত আছে গুলীভরা রিভলভার। তাদের দূর থেকে অনুসরণ করে চললেন উজ্জ্বলা মজুমদার ও মনোরঞ্জন ব্যানাজী। উজ্জ্বলা মজুমদারের পরনে একটি রঙীন শাড়ি, চোখে হাই-পাওয়ারের চশমা। মনোরঞ্জন ব্যানার্জী পরিধান করেছেন স্বদেশী পরিচ্ছদ। ঘোড়দৌড়ের মাঠে সকলেই উপস্থিত হলেন। গভর্নর তার আসনে উপবিষ্ট। ভবানী ভট্টাচার্য ও রবি ব্যানাজী গভর্নরের কাছাকাছি রিভলভারের তাকমতো জায়গায় দাঁড়াতে পেরেছেন। এখন প্রার্থিত লগ্নের অপেক্ষা। এদিকে দলের নির্দেশমতো উজ্জ্বলা মজুমদার ও মনোরঞ্জন ব্যানার্জীর কাজ হয়ে গেছে। তারা লেবং ত্যাগ করলেন। দার্জিলিং স্টেশনে এসে অতি স্বাভাবিকভাবে তারা ট্রেনে উঠে বসলেন। টিকিট করাই ছিল। ততক্ষণে লেবং-এর মাঠে ভবানী ভট্টাচার্য ও রবি ব্যানাজীর আগ্নেয়াস্ত্র গর্জে উঠেছে। লেবং রেসকোর্সে অ্যান্ডারসনের দুই পাশে বসেছিলেন মিঃ ট্যান্ডি এবং বারোয়ারির রাজা। এঁরাই বিপ্লবী ভবানী ভট্টাচার্য এবং রবীন্দ্র ব্যানাজীর উপর ঝাপিয়ে পড়েন। পুলিশও গুলি চালায়, যাতে দুই বিপ্লবী আহত হন। উজ্জ্বলা যে ট্রেনে উঠেছিলো তা সন্ধ্যার একটু আগে শিলিগুড়িতে এসে পৌঁছালে পুলিস বাহিনী হন্তদন্ত হয়ে ট্রেন ঘেরাও করল। টেলিফোন কলে তারা আদেশ পেয়েছে ট্রেন তল্লাসী করে একটি মেয়েকে গ্রেপ্তার করতে। তার চোখে হাই-পাওয়ারের চশমা, পরনে গোলাপী রঙের। শাড়ি ও গায়ের রঙ গৌর। পুলিসের দৃষ্টি উজ্জ্বলা মজুমদারের উপরেও পড়ল। কিন্তু তার চোখে চশমা নেই, পরনেও সাদা শাড়ি। তারা দুজনে কলিকাতা এসে পৌছালেন।অবশেষে পুলিস উজ্জ্বলা মজুমদারকে খুঁজে বের করল ভবানীপুরে শোভারানী দত্তের বাসায়। শোভারাণী ‘যুগান্তর’-দলের কর্মী। রাজনৈতিক সংগ্রামের পুরোভাগে তখনকার দিনে যে-কয়েকটি মহিলা অগ্রসর হয়েছিলেন শোভারানী দত্ত তাদের অন্যতম। শোভারানী দত্তের বাসা থেকে ১৮ মে উজ্জ্বলা মজুমদার ও শোভারানী দত্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিস নিয়ে যায়। শোভারানী অবশ্য লেবং ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন, কিন্তু এই সূত্রে তার দুর্ভোগ ও লাঞ্ছনার সীমা ছিল না। উজ্জ্বলাকে আনা হয় প্রথমে কার্সিয়াং জেলে এবং পরে দার্জিলিং জেলে। তার বিপ্লবী বন্ধু ভবানী ভট্টাচার্য ও রবি ব্যানার্জী দার্জিলিং জেলে ছিলেন আগে থেকেই। কলিকাতা থেকে গ্রেপ্তার করে এনেছিল মনোরঞ্জন ব্যানার্জী, মধু ব্যানাজী, সুকুমার ঘোষ প্রভৃতিকে।লেবং ষড়যন্ত্র মামলার জন্য স্পেশাল ট্রাইবুনালের মামলা শুরু হয়েছিল। সকলেই মৃত্যুদণ্ডাজ্ঞা শুনবার জন্য প্রস্তুত; বিচারে ভবানী ভট্টাচার্য, রবি ব্যানার্জী ও মনোরঞ্জন ব্যানার্জীর ফাসির হুকুম হয়, উজ্জ্বলা মজুমদারের সাজা হয় বিশ বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড, অপর বন্দীদের সাজা হয় দ্বীপান্তরের। হাইকোর্টের আপীলের রায়ে ভবানী ভট্টাচার্যের ফাসির হুকুম বহাল রইল। মনোরঞ্জন ও রবি ব্যানাজীর বিশ বৎসর এবং উজ্জ্বলা মজুমদারের চৌদ্দ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ হল। দণ্ডিত বন্দীরা আন্দামান দ্বীপান্তরিত হন। উজ্জ্বলা মজুমদারকে পাঠানো হয় মেদিনীপুর সেন্ট্রাল জেলে। মৃত্যু দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত তিন বিপ্লবী ভবানী ভট্টাচার্য, মনোরঞ্জন ব্যানার্জি ও রবীন্দ্রনাথ ব্যানার্জির পক্ষে হাইকোর্টে সওয়াল করেন তৎকালীন প্রখ্যাত আইনজীবী সুধাংশুশেখর মুখার্জি, সুরজিৎ চন্দ্র লাহিড়ী, সুরেশচন্দ্র তালুকদার, অজিতকুমার দত্ত এবং ফরাৎ আলী। এঁদের মধ্যে সুধাংশুশেখর এবং সুরজিৎ চন্দ্র উজ্জ্বলা মজুমদার, মধুসূদন ব্যানার্জি ও সুকুমার ঘোষের হয়ে বিনা পারিশ্রমিকে লড়াই করেন। কলকাতা হাইকোর্ট রায় দেবার সময় এঁদের লিখিতভাবে প্রশংসা করেন।১৯৩৫ সালের ৩ রা ফেব্রুয়ারি ছিল ভবানী ভট্টাচার্যের ফাঁসির তারিখ। রেখেছিল তাকে রাজশাহী সেন্ট্রাল জেলে। অন্যদিকে মেদিনীপুর সেন্ট্রাল জেলের রুদ্ধকক্ষে আবদ্ধ উজ্জ্বলা মজুমদার। রাজশাহী জেলের এক অসহ্য রাত।তারপর বাংলাদেশের নানা জেলে কেটে গেল উজ্জ্বলার বন্দীজীবনের পাঁচটি বছর। অবশেষে মহাত্মা গান্ধীর প্রচেষ্টায় অন্যান্য বন্দীদের সঙ্গে ঢাকা জেল থেকে ১৯৩৯ সালের এপ্রিল মাসে উজ্জ্বলা মজুমদার মুক্তি পান। চলে আসেন তিনি কলিকাতায়। ১৯৪২ সালে আরম্ভ হয় শেষ জাতীয় সংগ্রাম ‘করেঙ্গে ইয়া মরেঙ্গে’। এই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে উজ্জ্বলা পুনরায় গ্রেপ্তার হন। পুলিস তাকে নিরাপত্তা আইনে বন্দী করে রেখে দেয় প্রেসিডেন্সি জেলে। ১৯৪৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি মুক্তি পান।মুক্তির পর বন্ধুদের সঙ্গে তিনি ‘ফরওয়ার্ড ব্লক’ দল গঠনে অগ্রসর হন। নোয়াখালিতে দাঙ্গা হয়ে যাবার পর সেখানে দাঙ্গাবিধ্বস্ত অঞ্চলে গিয়ে তিনি সেবার কাজে আত্মনিয়োগ করেন। ১৯৪৭ সালে এলো স্বাধীনতা। তখন শরৎচন্দ্র বসুর নেতৃত্বে গঠিত সোশ্যালিস্ট পার্টির সঙ্গে তিনি যুক্ত হন। জেলের মধ্যে তিনি বি. এ. এবং মুক্তির পর বি.টি.পাস করেন। বারাসাতে রাজাহাট থানার অনুন্নত শ্রেণী অধ্যুষিত কয়েকটি গ্রামে পল্লী নিকেতন নামে একটি প্রতিষ্ঠান তিনি ও তার বন্ধুরা মিলে সংগঠন করেন এবং এই সমিতির মধ্য দিয়ে তিনি সমাজসেবার কাজে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। উজ্জ্বলা রক্ষিত রায় (উজ্জ্বলা মজুমদার) ১৯৯২ সালের ৫ এপ্রিল পরলোক গমন করেন।

About Author

Advertisement