বিশেষজ্ঞরা এর প্রকৃত কারণগুলো তুলে ধরেছেন
অধিকাংশ মানুষের ধারণা, কেবল অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণেই কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়; তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, চল্লিশোর্ধ্ব বয়সে শরীরে যে স্বাভাবিক ও হরমোনজনিত পরিবর্তন ঘটে, তাও এর পেছনে বড় ভূমিকা রাখে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ৪০ বছর বয়সের পর শরীরের বিপাকক্রিয়া বা মেটাবলিজম ধীর হয়ে যায়। একই সঙ্গে রক্ত থেকে অতিরিক্ত ক্ষতিকর কোলেস্টেরল (এলডিএল) দূর করার ক্ষেত্রে লিভারের কার্যক্ষমতা কমতে শুরু করে, যার ফলে শরীরে এলডিএল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বেড়ে যায়।
হরমোনের পরিবর্তনের প্রভাব:
নারীদের ক্ষেত্রে: মেনোপজের সময় ইস্ট্রোজেনের মাত্রা কমে যাওয়ার ফলে ‘খারাপ’ কোলেস্টেরলের মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
পুরুষদের ক্ষেত্রে: টেস্টোস্টেরনের মাত্রা ধীরে ধীরে কমে যাওয়ার ফলে শরীরের চর্বি ও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বৃদ্ধি পায়, যা লিপিড প্রোফাইলের ওপর প্রভাব ফেলে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ:
চল্লিশোর্ধ্ব বয়সে শারীরিক কার্যকলাপ কমে যাওয়া এবং পেটের মেদ (ভিসারাল ফ্যাট) বেড়ে যাওয়ার ফলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন এবং চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, ৪০ বছরের বেশি বয়সীদের লিপিড প্রোফাইল, রক্তচাপ এবং খালি পেটে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়মিত পরীক্ষা করানো উচিত।









