ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে পিএসজি, বায়ার্ন মিউনিখকে বিদায়

IMG-20260507-WA0054

‎‎‎মিউনিখ: ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নস লিগ ফুটবল প্রতিযোগিতায় বর্তমান চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সাঁ জার্মেই ফাইনালে পৌঁছাল। জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ ও পিএসজির মধ্যে বুধবার রাতে খেলা সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগ ১-১ গোলে ড্র হয়। তবে প্রথম লেগে নিজেদের মাঠে ৫-৪ ব্যবধানে ঐতিহাসিক জয় পাওয়ায় মোট ৬-৫ ব্যবধানে জয়ী হয়ে ফ্রান্সের ক্লাবটি ফাইনালে স্থান নিশ্চিত করে।‎আগামী ৩০ মে বুদাপেস্টে অনুষ্ঠিত ফাইনালে পিএসজির মুখোমুখি হবে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের আর্সেনাল, যারা অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে মোট ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছেছে।‎নিজেদের মাঠ আলিয়াঞ্জ এরিনায় ৬২ শতাংশ বল দখলে রেখে খেললেও বায়ার্ন মিউনিখ শুরুতেই ধাক্কা খায়। তৃতীয় মিনিটেই গোল করে পিএসজিকে এগিয়ে দেন ওসমান দেম্বেলে। খাভিচা খভারাতসখেলিয়ার পাস থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে তিনি দলকে ম্যাচে ১-০ এবং মোট ব্যবধানে ৬-৪ এগিয়ে দেন।‎প্রথম লেগে পরাজয়ের পর বায়ার্নের কাছ থেকে প্রত্যাবর্তনের প্রত্যাশা থাকলেও তারা আক্রমণে আগের মতো ধার দেখাতে পারেনি। মাইকেল অলিসে, হ্যারি কেইন ও জোশুয়া কিমিচ প্রথমার্ধে বেশ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করেন। এক পর্যায়ে বায়ার্ন পেনাল্টির দাবি করলেও রেফারি তা প্রত্যাখ্যান করেন।‎তিরিশ মিনিটে পিএসজির ভিটিনহার ক্লিয়ারেন্স বল জোয়াও নেভেসের হাতে লাগলেও রেফারি কোনো সিদ্ধান্ত দেননি। অন্যদিকে বায়ার্নের গোলকিপার মানুয়েল নয়্যার নেভেসের হেডার দারুণভাবে রুখে দেন। প্রথমার্ধের শেষদিকে জামাল মুসিয়ালা সুযোগ পেলেও পিএসজির গোলরক্ষক মাতভেই সাফোনভ অসাধারণ সেভ করেন। ‎দ্বিতীয়ার্ধে পিএসজি রক্ষণাত্মক কৌশল নিয়ে প্রতিআক্রমণে জোর দেয়। নয়্যার খভারাতসখেলিয়া ও ডিজিরে ডুয়ের একাধিক শট রুখে দেন। বল দখল ও আক্রমণে বায়ার্ন এগিয়ে থাকলেও কার্যকর ফিনিশিংয়ের অভাব দেখা যায়।‎স্টপেজ টাইমের চতুর্থ মিনিটে হ্যারি কেইন বায়ার্নের হয়ে এক গোল শোধ করলেও তা দলকে বাঁচাতে যথেষ্ট হয়নি। এটি চ্যাম্পিয়নস লিগে কেইনের টানা সপ্তম ম্যাচে গোল।‎এই জয়ের মাধ্যমে পিএসজি টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে এগোচ্ছে।‎ অন্যদিকে ২০২০ সালের পর প্রথমবার ফাইনালে ওঠার সুযোগ হারাল বায়ার্ন মিউনিখ।

About Author

Advertisement