জয়পুর: ভারতীয় জনতা পার্টির জাতীয় সভাপতি নিতিন নবিন সোমবার বিশ্বাস প্রকাশ করেছেন যে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জয়ী হবে এবং সেখানে দলের ‘কমল’ ফুটবে।দলীয় কর্মীদের পরিশ্রম ও নিষ্ঠার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, “রাজনীতিতে আমাদের ‘শর্টকাট’ থেকে দূরে থাকতে হবে।” তিনি আরও জানান, সংরক্ষণ সম্পর্কিত ‘নারী শক্তি বন্দন আইন’ সময়মতো নিশ্চিতভাবেই বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি রাজস্থানের টোঙ্ক শহরে দলীয় জেলা কার্যালয়ের উদ্বোধনের পর এই মন্তব্য করেন।তিনি বলেন, অঙ্গ থেকে বঙ্গ এবং এখন কলিঙ্গ পর্যন্ত বিজেপির শাসন বিস্তৃত হচ্ছে, তবে এখনও আরও এগিয়ে যেতে হবে।পশ্চিমবঙ্গ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সেখানে বিজেপি কর্মীরা যে পরিশ্রম করেছেন এবং সাধারণ মানুষ যেভাবে সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছেন, তাতে আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি যে ৪ মে গণনার দিনে পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপির কমল ফুটবে এবং গেরুয়া পতাকা উড়বে।”তিনি অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ রাজ্যের শাসন ব্যবস্থায় ক্লান্ত। “মা, মাটি ও মানুষের নামে যে সরকার ক্ষমতায় এসেছিল, তারা সেই আদর্শের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে,” বলেন তিনি।তিনি আরও বলেন, বিজেপি কর্মীদের সংগ্রাম ও ত্যাগের ফলে এমন সময় এসেছে, যখন ভোট হলে প্রভূত সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিজেপি সরকার গঠন করবে।সংসদ ও রাজ্য বিধানসভায় নারীদের জন্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত ‘নারী শক্তি বন্দন আইন’ নিয়ে তিনি কংগ্রেস ও অন্যান্য বিরোধী দলকে আক্রমণ করেন এবং তাদের বিরুদ্ধে নারীদের অধিকার হরণ করার অভিযোগ তোলেন।তিনি বলেন, “আমরা নারী বন্দনের মাধ্যমে নারীদের অংশগ্রহণ ও অধিকার বাড়াতে কাজ করছি, কিন্তু কংগ্রেস তা বাধা দিয়েছে। কেন তারা মা-বোনদের অধিকার কেড়ে নিয়েছে, তার জবাব দিতে হবে।”তিনি আরও বলেন, “বিজেপির নেতা নরেন্দ্র মোদী যখন কোনও সংকল্প নেন, তা তিনি পূর্ণ করে দেখান। বিজেপির নেতৃত্বই নারীদের তাদের অধিকার এনে দেবে।”কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “রাজনীতি কোনও ‘১০০ মিটার দৌড়’ নয়, এটি একটি দীর্ঘ দৌড় যেখানে সহনশীলতার পরীক্ষা হয়। তাই নিরন্তর পরিশ্রমের মাধ্যমে দলকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সংকল্প নিতে হবে।”তিনি বলেন, বিজেপিকে শুধু বিশ্বের বৃহত্তম দল নয়, বরং সবচেয়ে জনপ্রিয় দল হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। “আমাদের নেতা নরেন্দ্র মোদী আজ শুধু দেশ নয়, সমগ্র বিশ্বকে দিশা দেখাচ্ছেন,” বলেন তিনি।এই অনুষ্ঠানে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মা এবং বিজেপির প্রদেশ সভাপতি মদন রাঠোর উপস্থিত ছিলেন।










