কলকাতা: সোমবার ভোটগণনাকে সামনে রেখে সরকারি কর্মীদের প্রতি কড়া বার্তা দিল নির্বাচন কমিশন। গণনার কাজে কোনওরকম ভুল বা গাফিলতি হলে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে, এমনকি চাকরিও যেতে পারে বলে কমিশন সূত্রে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।এবার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের শুরু থেকেই কঠোর অবস্থানে রয়েছে নির্বাচন কমিশন। গণনার দিনেও যাতে কোনও ত্রুটি না থাকে, তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের গাফিলতির অভিযোগ সামনে এসেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও সূত্রের খবর।রাজ্যে এ দফায় দুই পর্যায়ে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং রেকর্ড সংখ্যক ভোট পড়েছে বলে জানা গেছে। ৪ মে, সোমবার অনুষ্ঠিত হবে ভোটগণনা। বর্তমানে ইভিএমগুলি কড়া নিরাপত্তায় স্ট্রংরুমে সংরক্ষিত রয়েছে। গণনার সময় কোনও ফাঁক না রাখতে নিরাপত্তার কড়া বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।গণনার দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মীদের কমিশনের সমস্ত নির্দেশ কঠোরভাবে মেনে চলতে বলা হয়েছে। স্বচ্ছতা ও সততা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। ইচ্ছাকৃত ভুল বা গাফিলতির প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।রাজ্যের ৭৭টি গণনাকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। গণনাপর্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ১৬৫ জন গণনা পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁদের সহায়তায় অতিরিক্ত পর্যবেক্ষকরাও থাকছেন। পাশাপাশি ৭৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষকও নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।গণনাকেন্দ্রগুলিকে কার্যত দুর্গে পরিণত করা হয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ। উল্লেখযোগ্যভাবে, কলকাতা পুলিশের অধীনস্থ সমস্ত গণনাকেন্দ্রে আগেই ১৬৩ ধারা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। স্ট্রংরুমের ২০০ মিটার ব্যাসার্ধে জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং পাঁচজনের বেশি একত্রিত হওয়া যাবে না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।গণনার আগে কোনও উত্তেজনা, বিক্ষোভ বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতেই এই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গেছে।









