শিরদাঁড়ার জটিল অস্ত্রোপচারে সাফল্য পেল মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

IMG-20250717-WA0127

মালদহ: শিরদাঁড়ার জটিল অস্ত্রোপচারে সাফল্য পেল মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। মেডিকেল থেকে ছুটি পাওয়ার মুহূর্তে ওই যুবতির সঙ্গে দেখা করতে আসেন মেডিকেলের অধ্যক্ষ সহ স্নায়ু রোগের বিভাগীয় প্রধান।মাস ছয়েক আগে কোমর পেটের একাধিক সমস্যা নিয়ে মালদা মেডিকেলে ভরতি হন জাহানারা খাতুন (২৮)। বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুরের হরিরামপুর থানা এলাকায়। স্বামী মফিজুল হক রাজমিস্ত্রীর কাজ করেন। তাঁদের দুই ছেলেমেয়েজাহানারা জানান, “মাস ছয়েক আগে কোমর ব্যথা থেকে হাঁঠতে চলতে পারছিলাম না। ধীরে ধীরে বসতেও সমস্যা হচ্ছিল। এমনকি এক সময় মলমূত্রও ধরে রাখতে পারছিলাম না। যন্ত্রণায় ছটফট করছিলাম। চিকিৎসার জন্য মালদামেডিকেলে ভরতি হই। চিকিৎসক এমআরআই করতে বলেন। সেই রিপোর্ট দেখে অস্ত্রোপচারের কথা জানান। সাতদিন আগে আমার অপারেশন হয়। এখন অনেকটা সুস্থ রয়েছি। নিজে হাঁটতে- চলতে পারছি। আমরা গরীব। এমন জটিল অপারেশন বাইরে করানোর সামর্থ ছিল না। আজ আমাকে মেডিকেল থেকে ছুটি দেওয়া হচ্ছে। নিউরো বিভাগের প্রধান ডা. অশোক আচার্য বলেন, এই রোগী প্রচণ্ড কোমরে ব্যথা নিয়ে প্রথমে আমাদের বর্হিবিভাগে এসেছিলেন। আমরা ওনাকে ভরতি করে শিরদাঁড়ার অস্ত্রোপচার করেছি। ওনার তিন লেভেলে সমস্যা ছিল। অস্ত্রো পচারের পর ওই রোগী এখন হাঁটতে চলতে পারছেন। অন্যান্য সমস্যাও কমছে। এত বড়ো জটিল অপারেশন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে হয়েছে। সাড়ে তিন বছর ধরে মালদা মেডিকেলে নিউরো বিভাগ চলছে। এখানে একের পর এক জটিল অপারেশন হচ্ছে। তবেআমাদের আরও কিছু চিকিৎসকের প্রয়োজন রয়েছে। কিছু জুনিয়র ডাক্তার থাকলে আমরা আরও বেশি মানুষকে পরিসেবা দিতে পারব।মেডিকেলের অধ্যক্ষ পার্থপ্রতীম মুখোপাধ্যায় জানান, মালদা মেডিকেলে নিউরো বিভাগ খোলার পর থেকেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রোপচার করা হচ্ছে। সম্প্রতি শিরদাঁড়ার যে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে, তাও আমাদের সাফল্য। ওই রোগী হাঁটতে পারছেন। আমাদের এখানে ব্রেইন টিউমারের অপারেশনও হচ্ছে। আমরা পরিসেবা আরও উন্নত করার চেষ্টা চালাচ্ছি।

About Author

Advertisement