নয়াদিল্লি: রাশিয়া-তে ইন্টারনেট ও সাইবার স্পেসে সরকারের ক্রমবর্ধমান কঠোর নিয়ন্ত্রণ সাধারণ নাগরিকদের পাশাপাশি ব্যবসায়িক মহলেও তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। নিরাপত্তা ও ‘সন্ত্রাসী হামলা প্রতিরোধ’-এর যুক্তি দেখিয়ে রুশ কর্তৃপক্ষ টেলিগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপ-এর মতো বৈশ্বিক মেসেজিং অ্যাপগুলির ওপর কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করেছে, যার ফলে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে মস্কো-তে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সামনে বহু নাগরিক আবেদন জমা দিয়ে ইন্টারনেট সেন্সরশিপ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ওয়েবসাইট ও অ্যাপ কাজ না করায় তাদের ব্যবসা প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে এবং তারা বড় আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।সরকার ‘স্বায়ত্তশাসিত ইন্টারনেট’ নীতিকে জোরদার করছে এবং নাগরিকদের ‘ম্যাক্স’ (MAX) নামের সরকারি মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহারে উৎসাহিত করছে, যা নিয়ে নজরদারির আশঙ্কায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। যদিও ভ্লাদিমির পুতিন কর্তৃপক্ষকে জরুরি পরিষেবা নির্বিঘ্ন রাখার নির্দেশ দিয়েছেন, তবুও বাস্তবে ভিপিএন এবং স্বাধীন সংবাদমাধ্যমগুলিকে ক্রমাগতভাবে টার্গেট করা হচ্ছে।বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ রাশিয়াকে বহির্বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করার একটি প্রচেষ্টা, যার ফলে জনমনে অসন্তোষ বাড়ছে এবং পুতিনের জনপ্রিয়তার ওপরও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।










