শিলং: মেঘালয়ের শিলংস্থিত নর্থ-ইস্টার্ন হিল ইউনিভার্সিটি (এনইএইচইউ)-তে চলমান নিয়োগ বিতর্ককে ঘিরে নর্থ-ইস্টার্ন হিল ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন (এনইএইচইউটিএ) প্রশাসনিক দুর্বলতা ও নেতৃত্বের ব্যর্থতাকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সংগঠনটি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বাধার জন্য ছাত্র আন্দোলনকে দায়ী করার দাবিও খারিজ করেছে।
রবিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এনইএইচইউটিএ উপাচার্য অধ্যাপক পি. এস. শুক্লার কার্যপদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে অভিযোগ করেছে যে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজকর্ম কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। সংগঠনের দাবি, তাঁর বারবার অনুপস্থিতি এবং প্রশাসনিক বিষয়ে দুর্বল সম্পৃক্ততার কারণেই গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়াগুলি প্রভাবিত হয়েছে।
সংগঠনটি দাবি করেছে যে গ্রুপ বি এবং সি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া ছাত্র আন্দোলন শুরু হওয়ার আগেই ব্যাহত হয়েছিল। বিজ্ঞপ্তি ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে প্রকাশিত হয় এবং আবেদন প্রক্রিয়া ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪-এ শেষ হয়। তাই নিয়োগে বিলম্বকে ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করা বিভ্রান্তিকর বলে জানানো হয়েছে।
একইভাবে, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অর্থ আধিকারিক ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের মতো সিনিয়র পদগুলির জন্য প্রকাশিত নিয়োগ প্রক্রিয়াতেও পদ্ধতিগত অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়েছে। এনইএইচইউটিএ নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাবের বিষয়টিও সামনে এনেছে।
সংগঠনটি এক উপ-রেজিস্ট্রারের নিয়োগকেও অযোগ্য বলে সমালোচনা করেছে। পাশাপাশি দাবি করা হয়েছে যে এক আধিকারিক ৫৪০ দিনেরও বেশি সময় ক্যাম্পাসে অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও বেতন ও অন্যান্য সুবিধা পেয়ে গেছেন।
এনইএইচইউটিএর অভিযোগ, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যক্তিগত স্বার্থ প্রাধান্য পাওয়ায় বহু যোগ্য প্রার্থীকে উপেক্ষা করা হয়েছে, যার ফলে অন্যায্য নিয়োগ হয়েছে।
সংগঠনটি নিজেকে প্রাতিষ্ঠানিক সততার রক্ষক বলে উল্লেখ করে রাজনৈতিক দলগুলিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়কে রাজনৈতিক রূপ না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষ করে ভয়েস অফ দ্য পিপল পার্টি (ভিপিপি)-কে এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।










