নয়াদিল্লি: মার্কিন সামরিক অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর গ্রেপ্তারের পর দেশটিতে গভীর রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, সঠিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর না হওয়া পর্যন্ত ভেনেজুয়েলার প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রই দেখভাল করবে।
ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার উপ-রাষ্ট্রপতি ডেলসি রদ্রিগেসের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছে। তাঁর মতে, রদ্রিগেস মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সাথে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন এবং সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। ট্রাম্প আরও বলেন, রদ্রিগেস এমন পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত, যা ভেনেজুয়েলাকে স্থিতিশীলতার দিকে নিয়ে যেতে পারে।
ডেলসি রদ্রিগেস ২০১৮ সাল থেকে ভেনেজুয়েলার উপ-রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং দেশের তেলনির্ভর অর্থনীতি ও গোয়েন্দা ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব সামলিয়ে আসছেন। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করেছিল।
এদিকে ট্রাম্প বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য অনুপযুক্ত বলে মন্তব্য করেছেন এবং বলেছেন, তাঁর যথেষ্ট সমর্থন নেই।
তবে ট্রাম্পের দাবির বিপরীতে, সরকারি টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে ডেলসি রদ্রিগেস যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের তীব্র নিন্দা জানান। তিনি এটিকে জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেন এবং প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীর অবিলম্বে মুক্তির দাবি তোলেন।
রদ্রিগেস স্পষ্ট করে বলেন, ভেনেজুয়েলায় মাত্র একজন বৈধ প্রেসিডেন্ট আছেন — নিকোলাস মাদুরো। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্ব ও প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর দখলদারির উদ্দেশ্যে সরকার পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র করার অভিযোগ তোলেন।










