বেআইনি নির্মাণ ভাঙ্গার নির্দেশ থাকলে ভাঙ্গতে হবে। কোনওরকম গর্ত করে রেখে দিলে হবে না। ঠিকাদাররা বোকা বানাচ্ছেন। পুর কমিশনারকে এই বিষয়ে নির্দেশিকা অবিলম্বে তৈরি করতে বলেছি। শুক্রবার টক টু মেয়র অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, ৩০-৪০ বছর ধরে বাড়ি ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও গর্ত তৈরি করে বেআইনি বাড়ি ফেলে রেখে দেওয়া হচ্ছে। যারা এই কাজ করছেন, তারা হয় বেআইনি বাড়ি ভেঙ্গে ফেলুক, নয়তো তারা জানিয়ে দিক, আমরা এই কাজ করতে পারব না। পুরমন্ত্রী আরও বলেন, এখন থেকে সমস্ত বস্তি ঠিকা টেন্যান্সির অধীনে আনা হবে। বস্তিবাসীদের বাংলার বাড়ি প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ি করে দেওয়া হবে। বস্তিবাসীদের আর প্রোমোটারের খপ্পড়ে পড়তে হবে না। প্রোমোটারদের থাবা বস্তি এলাকায় বন্ধ হবে বলে আশা। মেয়র আরও বলেন, আবাসন তৈরির প্রক্রিয়া পুরোটাই রেরার অধীনে আসুক। রেরায় যদি কেউ যেতে না পারে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ক্রেতা সুরক্ষা আদালতে যেতে পারে। ফিরহাদ আরও বলেন, কেএমডিএ’এর সাবওয়ে আবর্জনা ভর্তি। সেখানে রেল পরিষ্কারের কোনও উদ্যোগ নেয় না। রেল যাতে সাবওয়ে আবর্জনা মুক্ত করার জন্য উদ্যোগ নেয়, তার জন্য কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেব। পুরমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, যতদিন বাংলায় বিজেপি সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করবে, ততদিন বিজেপির কিছু হবে না। গঙ্গাধারে বৃক্ষরোপণ করে কলকাতাকে সুন্দর করে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।










