নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ায় বাড়তে থাকা উত্তেজনার জেরে বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত তেলের দামে উল্লম্ফন ঘটায় বিমান টারবাইন জ্বালানির দাম বুধবার দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে প্রতি কিলোলিটারে ২.০৭ লক্ষ টাকায় পৌঁছেছে। এই প্রথমবার এই জ্বালানির দাম প্রতি কিলোলিটারে দুই লক্ষ টাকার সীমা অতিক্রম করল।
দিল্লিতে এই জ্বালানির দাম ৯৬,৬৩৮.১৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২,০৭,৩৪১.২২ টাকা প্রতি কিলোলিটার করা হয়েছে। এর আগে ১ মার্চেও জ্বালানির দামে ৫.৭ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছিল।
জ্বালানির এই হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে বিমান পরিবহন শিল্প এবং যাত্রীদের উপর। এই জ্বালানি বিমান সংস্থাগুলির মোট পরিচালন ব্যয়ের প্রায় ৪০ শতাংশ জুড়ে থাকে, ফলে ব্যয় বাড়লে টিকিটের দাম স্থির রাখা সংস্থাগুলির পক্ষে কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাড়তি খরচ সামাল দিতে বিমান সংস্থাগুলি ভাড়া বাড়াতে পারে অথবা অতিরিক্ত জ্বালানি শুল্ক আরোপ করতে পারে। এর ফলে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উড়ান আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে।
যদি জ্বালানির দাম দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ অবস্থায় থাকে, তবে কিছু রুটে উড়ানের সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া হতে পারে। বিশেষ করে কম চাহিদাসম্পন্ন রুটে পরিষেবা কমে গেলে যাত্রীদের বিকল্পও সীমিত হয়ে পড়বে।
যাত্রীদের উপর চাপ কমাতে সরকার এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক জ্বালানির উপর মূল্য সংযোজন কর কমানো এবং দাম নিয়ন্ত্রণের মতো পদক্ষেপ বিবেচনা করছে।
যাত্রীদের উপর সম্ভাব্য প্রভাব:
বিমান টিকিটের দাম বাড়তে পারে।
অতিরিক্ত জ্বালানি শুল্ক বৃদ্ধি পেতে পারে।
কিছু রুটে উড়ান কমে যেতে পারে।
ভ্রমণ আরও ব্যয়বহুল ও কঠিন হতে পারে।
স্বল্প বাজেটের যাত্রীর সংখ্যা কমতে পারে।











