বাজি বিস্ফোরণে সচেতনতার অভাবকে দুষলেন রাজ্য এডিজি

IMG-20250401-WA0341

পাথরপ্রতিমায় বিস্ফোরণের ঘটনায় সচেতনতার অভাবকেই দায়ী করলেন এডিজি সুপ্রতীম সরকার। রাজ্য পুলিশের তরফে বলা হয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে মনে হয়েছে এটি দুর্ঘটনা। সেই প্রসঙ্গে এদিন সাংবাদিক বৈঠকে এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতিম সরকার জানান, ফরেন্সিক টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। শীঘ্রই পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হবে।
তিনি বলেন, “বাজির ব্যবসার ক্ষেত্রে মাথায় রাখতে হবে, এর সঙ্গে প্রচুর মানুষের জীবন জড়িত থাকে। জীবিকা নির্বাহের ব্যবহার। কিন্তু কোথাও সচেতনতার অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমি যদি বাড়িতে পেট্রল মজুত রাখি, আর সেখানে রান্না বান্না করি, দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করি, সেই খবরটা পুলিশের কাছে থাকা সম্ভব নয়। পুলিশের পক্ষে সব সময়ে নজর রাখা সম্ভব নয়। ঘরের মধ্যে দাহ্য পদার্থ রেখে, গ্যাস সিলিন্ডার জ্বালাচ্ছি, এটা তো সচেতনতার অভাব। যারা ফেরার তাদের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার জন্য এত গুলো প্রাণ চলে গেল। ”
তিনি আরো বলেন, এই দুজনের বাড়ির ১০০-২০০ মিটারের মধ্যেই বাজি কারখানা ছিল। কিন্তু বাড়ির মধ্যে কেন বাজি মজুত রাখা হয়েছিল, সে ব্যাপারটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করছিলেন, ঢোলাহাট থানার পুলিশ চন্দ্রকান্ত বণিকের কাছে এসে প্রতি মাসে টাকা নিয়ে যেতেন। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রশ্ন করা হলে, এডিজি বলেন, “অভিযোগ করতেই পারে, কিন্তু লিখিতভাবে অভিযোগ এলে তদন্ত হবে। অভিযোগ করলেই তো হবে না।”

About Author

Advertisement