কাঠমান্ডু: বড়াদশৈঁ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানী কাঠমান্ডু ছেড়ে নিজ নিজ গ্রাম ও বাড়িতে ফিরে যাওয়া যাত্রীদের আনাগোনা বাড়তে শুরু করেছে। দশৈঁর টিকা, জমরা ও বড়দের আশীর্বাদ নিয়ে পরিবারের সঙ্গে উৎসব উদ্যাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন অনেকে। তাঁদের বাসপার্কে আসা-যাওয়া বেড়ে যাওয়ায় কাঠমান্ডুর প্রধান বাসপার্কগুলোতে ভিড় বাড়ছে।
কাঠমান্ডুর নতুন বাসপার্ক এবং জড়িবুটি এলাকার আরনিকো বাসপার্কে বাড়ি ফেরা যাত্রীদের ভিড় চোখে পড়ছে। কর্মসংস্থান, পড়াশোনা ও বিভিন্ন কাজের সূত্রে রাজধানীতে বসবাসকারী মানুষ দশৈঁ উদ্যাপন করতে নিজ নিজ জন্মভূমিতে ফিরতে শুরু করেছেন। ফলে বাসপার্কগুলোতে যাত্রীদের আনাগোনা বেড়েছে।
নেপালিদের অন্যতম প্রধান উৎসব বড়াদশৈঁ উপলক্ষে দূরে থাকা পরিবারের সদস্যরা একত্রিত হন। এ সময় বড়দের কাছ থেকে টিকা ও জমরা গ্রহণ করা এবং আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার ঐতিহ্য রয়েছে। এই ঐতিহ্য বজায় রাখতে এবং পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নিতে রাজধানীতে বসবাসকারী মানুষ দশৈঁ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে নিজ নিজ গ্রাম ও বাড়িতে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
সারা বছর কাজ, পড়াশোনা ও বিভিন্ন দায়িত্বে ব্যস্ত থাকা মানুষের কাছে দশৈঁ পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলনের এক বিশেষ উপলক্ষ। তাই উৎসবের সময় শহরের ব্যস্ত জীবন থেকে কিছুটা দূরে থেকে গ্রাম-বাড়িতে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সময় কাটানোর আকাঙ্ক্ষা মানুষকে নিজ জন্মভূমিতে ফিরতে উৎসাহিত করছে।
রাজধানীর বাসপার্কগুলোতে যাত্রীদের ক্রমবর্ধমান আনাগোনা থেকে বোঝা যাচ্ছে, দশৈঁর উৎসবের আমেজ ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে। পরিবারের সঙ্গে উৎসব উদ্যাপনের আনন্দ নিয়ে গ্রামে ফিরে যাওয়া যাত্রীদের যাতায়াতে বাসপার্কগুলোতেও দশৈঁর উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।
দশৈঁ যত ঘনিয়ে আসছে, রাজধানী থেকে বাইরে যাওয়া যাত্রীদের প্রধান গন্তব্য হয়ে উঠছে তাঁদের নিজ নিজ গ্রাম, বাড়ি ও জন্মভূমি। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করা, বড়দের আশীর্বাদ নেওয়া এবং উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার আকাঙ্ক্ষায় শুরু হওয়া এই যাত্রা নেপালি সমাজে দশৈঁর সাংস্কৃতিক ও পারিবারিক গুরুত্বকে t ধরছে।





