বাংলা সাহিত্য সাধনার মন্দির বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ। বহু সাধকের নিরলস পরিশ্রমে এই সারস্বত প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। আজও সেই ঐতিহ্য বহমান। কিন্তু বিগত প্রায় দু’বছর ধরে বার্ষিক সাধারণ সভায় কয়েকজন ক্ষমতা প্রত্যাশী সাধারণ সদস্য (একদা যাঁরা পরিষদকে নিজেদের তালুক মনে করত, কর্মচারীদের ভয় দেখিয়ে কাজ করাতে দ্বিধা করত না) বর্তমান কর্মাধ্যক্ষদের অবিরাম কুৎসা ও মিথ্যা দোষারোপ করেছেন সোস্যাল মিডিয়া ও সমাজ মাধ্যমে। কোথাও কোথাও ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে প্রভাবিত করেছে শুভবুদ্ধিসম্পন্ন নিরপেক্ষ মানুষদের। তাঁদের দাবি ছিল বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্যদের ভোটাধিকার। গতবছর নিয়ম-নীতি অমান্য করে ভোটাধিকারের দাবি করলেও এবছর নিয়ম মেনে প্রার্থী দিয়েছিল বলে খবর। তা সত্ত্বেও তাঁরা স্বভাব অনুযায়ী চিৎকার করেছেন এবছরেও। প্রশাসন সজাগ থাকার কারণে কোনো গন্ডগোল করতে পারেনি। নির্বাচন আধিকারিক উপস্থিত সদস্যদের ভোটাধিকারের ব্যবস্থা করে দেন। সুস্থিতভাবে ভোট দানের মাধ্যমে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় দ্বিগুণ ভোট জয়ী হয়েছেন বর্তমান কর্মাধ্যক্ষগণ। সভাপতি শ্রী রতন কুমার নন্দী বলেছেন, কুৎসা নয়; মানুষের প্রতি বিশ্বাস আমাদের পাথেয়। সম্পাদক শ্রীরমেন কুমার সর বলেন, সারাবছর নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছি, পাঠক পরিষেবা পেয়েছেন সর্বদাই। তারই প্রভাব পড়েছে এই ভোটে। শিক্ষিত সচেতন মানুষ যোগ্য জবাব দিয়েছেন। আজীবন সদস্য যাঁরা, তাঁরাই পরিষদের পরিবর্তন দেখেছেন।কোষাধ্যক্ষ শ্রীমনোরঞ্জন সরদার বলেছেন, সত্যের উপর দাঁড়িয়ে সম্পাদককে কাজ করতে সাহায্য করেছি। সাহিত্য পরিষদের উন্নতি আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর পরিষদ কর্মচারীদের আনন্দ ও উচ্ছ্বাস চোখে পড়ার মতো।









