তরুণ প্রজন্মের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার মন কি বাত অনুষ্ঠানের ১২৮তম পর্বে তিনি বলেন, ‘দেশের তরুণ প্রজন্মই বিকশিত ভারতের সবচেয়ে বড় শক্তি।’ তরুণ প্রজন্মের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘কয়েক দিন আগে ইসরোর ড্রোন প্রতিযোগিতার একটা ভিডিয়ো দেখছিলাম। দেশের তরুণরা, বিশেষ করে জেন জ়ি-রা যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু দেখে মনে হচ্ছিল যেন মঙ্গল গ্রহে ড্রোন উড়ছে।’ মোদীর কথায়, ‘জিপিএস সাপোর্ট ছাড়া ড্রোনগুলো ওড়ানো হচ্ছিল। আদৌ সেটা সম্ভব কি না, সেটাই দেখা হচ্ছিল আসলে। ড্রোনগুলোতে শুধু ক্যামেরা আর বিল্ট অন সফটওয়্যার ছাড়া কিছু ছিল না। মঙ্গলগ্রহে জিপিএস অচল। এখানেও যেন তাই মনে হচ্ছিল। তবে পুনের একদল তরুণ খুব ভালো কাজ করেছে। বহু চেষ্টার পরে একমাত্র তারাই কিছুটা ওড়াতে পারে।’ ড্রোন ভেঙে পড়ার সঙ্গে চন্দ্রযান ২-এর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে আনেন প্রধানমন্ত্রী। ২০১৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ল্যান্ডার বিক্রমকে চাঁদের পিঠে নামাতে ব্যর্থ হয়েছিল ইসরো। অরবিটারে প্রবেশ করার পরেই চন্দ্রযান ২-এর সঙ্গে সমস্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। মোদী বলেন, ‘বিজ্ঞানীরা তো বটেই, গোটা দেশ মুষড়ে পড়েছিল। কিন্তু সেই ব্যর্থতা আমাদের থামাতে পারেনি। সেখান থেকে চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্যের গল্প লেখা শুরু হয়। এটা শুধু কোনও মিশনের সাফল্য নয়, ব্যর্থতার মধ্যে থেকে জন্ম নেওয়া আত্মবিশ্বাসের জয়।’ মন কি বাতে মোদী মুখে শোনা গিয়েছে রাম মন্দিরের কথা। একই সঙ্গে ছিল সংবিধান দিবস এবং বন্দেমাতরমের প্রসঙ্গও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নভেম্বর মাস অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে এসেছে। কয়েকদিন আগে, ২৬ নভেম্বর, সংবিধান দিবস উপলক্ষে সংসদের কেন্দ্রীয় হলে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বন্দে মাতরমের ১৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে দেশব্যাপী এক বিশাল অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। ২৫ নভেম্বর, অযোধ্যার রাম মন্দিরে ধর্মধ্বজা উত্তোলন করা হয়েছিল। একই দিনে, কুরুক্ষেত্রের জ্যোতিসর-এ পঞ্চজন্য স্মারক উদ্বোধন করা হয়েছিল।” পাশপাশি, মোদীর মুখে ছিল ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমসের কথা। তিনি বলেন, “ক্রীড়া জগতেও ভারত দ্রুত অগ্রগতি করছে। কিছুদিন আগে ঘোষণা করা হয় যে ভারত কমনওয়েলথ গেমস আয়োজন করবে। এই সাফল্য দেশ এবং দেশবাসীর।”










