Category: জাতীয়

टीआरआई अभिलेखालय…
সংরক্ষণাগার
জাতীয়

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সামনে করণীয় কাজ ও চ্যালেঞ্জ‎

‎কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে জয়কে অনেকেই এক কঠিন যাত্রার সূচনা হিসেবে দেখছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষমতা অর্জনের পর আসল চ্যালেঞ্জ শুরু হয় প্রশাসন পরিচালনা ও রাজ্যের

জাতীয়

‎তেলেঙ্গানায় ১,৫৩৫ কোটি টাকার গুরুত্বপূর্ণ রেল পরিকাঠামো প্রকল্প জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করবেন প্রধানমন্ত্রী

‎নতুন দিল্লি: প্রধানমন্ত্রী প্রায় ১,৫৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রেল পরিকাঠামো প্রকল্প জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করবেন। এই প্রকল্পগুলির মধ্যে কাজিপেট–বিজয়ওয়াড়া মাল্টি-ট্র্যাকিং প্রকল্পের বিভিন্ন অংশ

জাতীয়

ব্রিগেড থেকে ওঠা শক্তির বার্তা

বাংলার রাজনৈতিক পালাবদল, জনজোয়ার এবং নতুন কৌশলগত যুগের সূচনা দেবেন্দ্র কিশোর পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরেই মতাদর্শগত সংঘাত, সাংস্কৃতিক চেতনা, আঞ্চলিক আত্মপরিচয় এবং গণআন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে রয়েছে।

জাতীয়

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন দাবি: শুভেন্দু অধিকারীর মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আলোচনা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ

দেবেন্দ্র কে ঢুংগানা পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর রাজ্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বড় পরিবর্তনের দাবি তুলে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-র অভ্যন্তরে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের খবর সামনে এসেছে। দলের

জাতীয়

‎ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে বাংলা সাহিত্যের অবদান‎‎

কলকাতা(বেবি চক্রবর্ত্তী): ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম কেবল রাজনৈতিক লড়াই ছিল না, এটি ছিল একটি গভীর সাংস্কৃতিক ও বৌদ্ধিক জাগরণ, যেখানে বাংলা সাহিত্য ও অন্যান্য ভারতীয় ভাষার সাহিত্য

জাতীয়

বিহারের নতুন মন্ত্রীদের অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী‎‎‎

নয়াদিল্লি: বিহারের এনডিএ সরকারের নবনিযুক্ত মন্ত্রীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।‎প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় বলেন, বিহার সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করা সকল সহকর্মীকে আন্তরিক

জাতীয়

সূর্যের আলোয় স্বনির্ভরতার পথ, দমদমার আদিবাসী মহিলাদের নতুন স্বপ্ন‎‎‎

বীরভূম: বীরভূম জেলার শান্তিনিকেতন থানার অন্তর্গত আদিবাসী গ্রাম দমদমা—চারদিকে সবুজ প্রকৃতি, মাটির ঘর আর সীমিত সুযোগের মধ্যে জীবনযুদ্ধ। এই গ্রামেই ‘তপোবন’-এ এক ছোট্ট উদ্যোগ যেন নতুন

জাতীয়

ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে “সাপ ও কুমির” মোতায়েন বিতর্ক: নিরাপত্তা ব্যবস্থা নাকি অতিরঞ্জিত কল্পনা?

শিলিগুড়ি(দেবেন্দ্র কে ঢুঙ্গানা): ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণের জন্য নদী তীরবর্তী সংবেদনশীল এলাকায় সাপ ও কুমির ব্যবহারের আলোচনা ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কিছু প্রতিবেদনে দাবি

জাতীয়

বঙ্গের ক্ষমতা নিয়ে টানাপোড়েন

পদত্যাগে অনড় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সংবিধানের কথা তুলে পাল্টা জবাব শুভেন্দু অধিকারী‎‎‎কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা

জাতীয়

‎ভবানীপুরে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন, কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঝেও প্রশাসনের সাফল্যে প্রশংসায় ভাসছেন আইপিএস চরণ সিং মীণা‎‎‎

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে এবারের নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সকলকে বিস্মিত করেছে। সাধারণত সংবেদনশীল ও সহিংসতার জন্য পরিচিত এলাকায় এবার দেখা গেছে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ

জাতীয়

বঙ্গালে বিজেপির ক্রমবর্ধমান প্রভাব: সংগঠন, কৌশল এবং পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

দেবেন্দ্র কে ঢুঙ্গানা শিলিগুড়ি: পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে সাম্প্রতিক নির্বাচনী ফলাফল একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বাম দলগুলির প্রভাব এবং পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের

জাতীয়

‎পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজিত, বিজেপির বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা‎‎কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে এবার নজিরবিহীন রাজনৈতিক পালাবদল দেখা গেল। প্রায় ১৫ বছরের তৃণমূল কংগ্রেস-এর শাসনের অবসান ঘটিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টি ঐতিহাসিক জয় অর্জন করেছে। এই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন সরকারের ৩৫ জন মন্ত্রীর মধ্যে ২২ জনই পরাজয়ের মুখে পড়েছেন, যার মধ্যে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-ও রয়েছেন।‎মুখ্যমন্ত্রী বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ঐতিহ্যবাহী ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে সুবেন্দু অধিকারী-র কাছে ১৫,১০৫ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। বিজেপি রাজ্যে ২০৬টি আসন পেয়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে, যা পূর্ব ভারতে তাদের রাজনৈতিক প্রভাবকে আরও মজবুত করেছে। এই ফলাফলকে বাংলার ইতিহাসে এক বড় ক্ষমতা পরিবর্তনের ঢেউ হিসেবে দেখা হচ্ছে।‎এই নির্বাচনে শিক্ষা, অর্থ, শিল্প, পরিবহন এবং মহিলা ও শিশু উন্নয়ন দপ্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা বহু প্রবীণ মন্ত্রীও নিজেদের আসন হারিয়েছেন। ডুমডুম থেকে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য পরাজিত হয়েছেন, পাশাপাশি মহিলা ও শিশু উন্নয়নমন্ত্রী শশী পাঁজা এবং প্রবীণ নেতা মলয় ঘটকও নির্বাচনে হেরে গেছেন। এছাড়াও আবাসন, বিদ্যুৎ, কৃষি এবং পঞ্চায়েত দপ্তরের মন্ত্রীরাও জনসমর্থন ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন।‎তবে তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন শীর্ষ নেতা নিজেদের অবস্থান বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছেন। কলকাতা বন্দর কেন্দ্র থেকে ফিরহাদ হাকিম বড় জয় পেয়েছেন, আর বালিগঞ্জ থেকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং কসবা কেন্দ্র থেকে জাভেদ খান টানা চতুর্থবারের মতো জয়ী হয়েছেন।‎এই নির্বাচনী ফলাফল রাজ্যের সামগ্রিক রাজনীতিতে এক নতুন দিক নির্দেশ করেছে। বিজেপির এই নিরঙ্কুশ জয়ের ফলে বাংলার পুরনো ক্ষমতার সমীকরণ ভেঙে পড়েছে এবং নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া দ্রুত এগোচ্ছে। এই ফলাফল তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা হলেও, রাজ্যের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক মানচিত্রে এক সুদূরপ্রসারী পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে।