তিনি হরমুজকে পারমাণবিক বোমার চেয়েও মূল্যবান বলে অভিহিত করেছিলেন
নয়াদিল্লি: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই ইরান তার সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থা—’সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল’ (এসএনএসসি)-এর দায়িত্ব কট্টরপন্থী জেনারেল মোহসেন রেজাইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের এই সিদ্ধান্তের ফলে রেজাই বাঘের জোলকাদরের স্থলাভিষিক্ত হলেন। রেজাইকে ‘ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর’ (আইআরজিসি)-এর প্রাক্তন প্রধান এবং একজন কঠোর সামরিক কৌশলবিদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলে রেজায়ির নিয়োগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ; কারণ কাউন্সিলের সচিব পদের পাশাপাশি তিনি সেখানে সর্বোচ্চ নেতার আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধি হিসেবেও নিযুক্ত হয়েছেন। এই দ্বৈত ভূমিকার ফলে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ওপর রেজায়ির সরাসরি নিয়ন্ত্রণ থাকবে। কাউন্সিলে তাঁর একটি আনুষ্ঠানিক আসন থাকবে এবং তিনি ভোটাধিকারও ভোগ করবেন।
৭১ বছর বয়সী মোহসেন রেজাই ১৯৮১ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় আইআরজিসি-র নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের পূর্ণ আধিপত্যের একজন কট্টর সমর্থক হলেন রেজাই। তিনি সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন যে, ইরানের কাছে পারমাণবিক বোমার চেয়েও হরমুজের নিয়ন্ত্রণ অনেক বেশি মূল্যবান। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, নিরাপত্তা প্রধান হিসেবে রেজাইয়ের নিয়োগ মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তেহরানের অবস্থানকে আরও আগ্রাসী করে তুলতে পারে।










