আহমেদাবাদ: টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬–এর ফাইনাল ম্যাচ রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। ফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারতের সামনে নিউজিল্যান্ডের কঠিন চ্যালেঞ্জ থাকবে। প্রতিবেদনে জানা গেছে, শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ব্যবহৃত পিচটি ব্যাটসম্যানদের জন্য অনুকূল হতে পারে। এই পিচে প্রায় ২০০ রানের স্কোর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ফাইনাল ম্যাচটি কেন্দ্রীয় উইকেটে অনুষ্ঠিত হবে। এই একই পিচে কানাডা ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যেও একটি ম্যাচ খেলা হয়েছিল। সেই ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা ৪ উইকেটে ২১৩ রানের বড় স্কোর গড়ে ৫৭ রানে জয় পেয়েছিল।
এই পিচ থেকে স্পিনারদের বিশেষ সহায়তা পাওয়ার সম্ভাবনা কম, তবে পেস বোলাররা অতিরিক্ত গতি ও বাউন্স পেতে পারেন। পিচের আচরণ অনেকটাই মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের মতো হতে পারে, যেখানে ভারত ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে ফাইনালে উঠেছিল।
ফাইনালের জন্য প্রস্তুত করা পিচটি সম্পূর্ণ নতুন থাকবে। এটি লাল ও কালো মাটির মিশ্রণে তৈরি করা হয়েছে। এই পিচটি ২০২৩ একদিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে ব্যবহৃত পিচের তুলনায় অনেকটাই আলাদা হবে।
২০২৩ সালের একদিনের বিশ্বকাপের ফাইনালও এই স্টেডিয়ামেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই ম্যাচে ব্যবহৃত পিচটি ছিল কালো মাটির এবং আগে ব্যবহৃত হওয়ায় ধীরগতির ও কম বাউন্সযুক্ত ছিল। সেই কারণে ফাইনালে ভারত মাত্র ২৪০ রানে অলআউট হয়ে যায় এবং অস্ট্রেলিয়া ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয়।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট পরিষদের প্রতিযোগিতাগুলিতে সাধারণত পিচ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট পরিষদের কিউরেটরদের তত্ত্বাবধানে প্রস্তুত করা হয়। তবে ২০২৩ বিশ্বকাপ ফাইনালের সময় পিচ নির্বাচনে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও ভারতীয় দলের মতামত নেওয়া হয়েছিল বলে খবর প্রকাশ পেয়েছিল। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ব্যাপক সমালোচনাও হয়েছিল।










