বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর লক্ষ্য অর্জনে গ্রাম ও ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত সংগঠনকে শক্তিশালী করা হবে

FB_IMG_1790701675620

নয়াদিল্লি: মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নবনিযুক্ত রাজ্য ইন-চার্জ এবং সহ-ইন-চার্জদের একটি সাংগঠনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে দলের জাতীয় সভাপতি নীতিন নবীন এবং জাতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বি.এল. সন্তোষ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তব্য রাখার সময় নেতৃবৃন্দ ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ (উন্নত ভারত) গড়ে তোলার যে সংকল্প প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ব্যক্ত করেছেন, তা বাস্তবায়নে দলের সর্বস্তরের কর্মীদের আত্মনিয়োগ করার ওপর জোর দেন। পাশাপাশি এ-ও উল্লেখ করা হয় যে, এই লক্ষ্য অর্জন কেবল সরকারের একার দায়িত্ব নয়, বরং এটি একটি যৌথ দায়িত্ব যার সাথে প্রতিটি নাগরিক ও দলীয় কর্মী জড়িত। রাজ্য কমিটি, নিবেদিতপ্রাণ দলীয় কর্মী এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই লক্ষ্যকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।
সাধারণ মানুষের জীবনে প্রকৃত পরিবর্তন কেবল তখনই আনা সম্ভব যখন সরকারি নীতি ও প্রকল্পগুলো সমাজের একেবারে শেষ প্রান্তে থাকা ব্যক্তির কাছেও পৌঁছাবে—এই বিষয়ের ওপর জোর দিয়ে প্রতিটি গ্রাম, ওয়ার্ড ও এলাকায় দলের উপস্থিতি শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়েছে। জনগণের সমস্যা শোনা, তাদের উদ্বেগের বিষয়গুলো অনুধাবন করা এবং জনগণের সাথে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ বজায় রাখাকেই ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ (সবার সাথে, সবার উন্নয়ন) নীতির প্রকৃত প্রয়োগ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

বৈঠকে কোনো অংশ বা অঞ্চলকে পেছনে ফেলে না রেখে সকলের উন্নয়ন নিশ্চিত করার এবং তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও কার্যকরভাবে সম্প্রসারিত করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
​​

About Author

Advertisement