তুরস্কে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি

49d0dfa_ftp-1-nnkjcxkkjx3k-2026-08-11t173831z-934669061-rc2dwmaiw3zt-rtrmadp-3-nato-summit-trump

খাবার সরবরাহের একটি কন্টেইনারের মাধ্যমে গোপনে সরিয়ে নেওয়া হলো

নয়াদিল্লি: তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলনের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে এক গুরুতর হুমকির বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প কোন হোটেলে ছিলেন এবং সেখানে ঠিক কোন তলায় তাঁর কক্ষটি ছিল—সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য ইরানি এজেন্টদের কাছে ছিল। এছাড়া, সম্মেলনের ভেন্যুর কাছাকাছি কাঁধে বহনযোগ্য সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র) সহ এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে দেখা গিয়েছিল, যা ট্রাম্পের সরকারি বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’-এর ওপর হামলার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছিল।
হুমকির তীব্রতা বিবেচনা করে মার্কিন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা একটি অত্যন্ত গোপনীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন। এই পরিকল্পনার আওতায় ট্রাম্প প্রকাশ্যে তাঁর পুরোনো ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ বিমানে ওঠেন, কিন্তু পরে গোপনে তাঁকে বিমানবন্দরের একটি ক্যাটারিং কন্টেইনারে করে সরিয়ে নেওয়া হয়; এরপর একটি সামরিক বিমানে স্থানান্তর করে তাঁকে তুরস্কের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে, দৃষ্টি অন্যদিকে ঘোরানোর কৌশল হিসেবে সেক্রেটারি অফ স্টেট মার্কো রুবিও, ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এবং ঊর্ধ্বতন উপদেষ্টাদের মূল ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ বিমানে করে পাঠানো হয়েছিল। ৮ জুলাই আঙ্কারা থেকে ব্রিটেনে যাওয়ার পথে বিমানের সব জানালার পর্দা নামিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল; এরপর ক্যামেরার সামনে অবতরণের ঠিক আগ মুহূর্তে ট্রাম্প গোপনে তাঁর মূল বিমানে উঠে পড়েন।

About Author

Advertisement