নয়াদিল্লি: মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড কে. সাংমা পশুপালন ও প্রাণিচিকিৎসা বিভাগের কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছেন। এই পর্যালোচনা বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল রাজ্যের গবাদি পশুর স্বাস্থ্যের উন্নতি, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় কৃষকদের জীবিকা সুদৃঢ় করা।
বৈঠকে জানানো হয় যে, বিভাগটি সফলভাবে গবাদি পশুর স্বাস্থ্য সনদ অনলাইনে প্রদানের পরিষেবা চালু করেছে, যা ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে কার্যকর হচ্ছে। একই সাথে, গবাদি পশুর সুরক্ষায় টিকাদান ও চিকিৎসা কার্যক্রমও নিরবচ্ছিন্নভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এছাড়া মুখ্যমন্ত্রী সরকারি খামারগুলোর কার্যক্রম এবং শূকর ও হাঁস-মুরগি পালনের লক্ষ্যে গৃহীত বিশেষ গবাদি পশু উৎপাদন কর্মসূচির অগ্রগতিও পর্যালোচনা করেন।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কিরদেমকুলাই-তে একটি ‘ভেটেরিনারি সায়েন্স কলেজ’ (পশুচিকিৎসা বিজ্ঞান মহাবিদ্যালয়) প্রতিষ্ঠা, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের মাধ্যমে পরিকাঠামোর উন্নয়ন এবং রি ভোই ও পশ্চিম গারো হিলস-এ পশুবাহী যানবাহনের জন্য পরীক্ষাচৌকি (অ্যানিমেল চেক পোস্ট) নির্মাণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
পর্যালোচনাটিতে বিভাগের সাম্প্রতিক অর্জনগুলোও তুলে ধরা হয়েছে; এর মধ্যে রয়েছে বিভাগীয় খামারগুলোর সংস্কার, ‘জাতীয় গবাদি পশু মিশন’ (এনএলএম)-এর আওতায় কিরডেমকুলাই-তে ভেড়া ও ছাগলের জন্য একটি আঞ্চলিক বীর্য উৎপাদন গবেষণাগার ও বীর্য ব্যাংক স্থাপন এবং ‘রাষ্ট্রীয় গোকুল মিশন’ (আরজিএম)-এর আওতায় রি ভোই-এর ২৩-মের নারাং-এ একটি পশু আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ।










