নয়া দিল্লি: কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা পবন খেড়া দিল্লিতে পৌঁছালে তাঁর সমর্থকেরা জোরালো অভ্যর্থনা জানান। সর্বোচ্চ আদালত থেকে অগ্রিম জামিন পাওয়ার পর তিনি দিল্লিতে ফেরেন এবং বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে বিপুল সংখ্যক কর্মী সমবেত হন।উল্লেখ্য, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা-র স্ত্রী রিঙ্কি ভুঁইয়া শর্মা কর্তৃক দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে এই মামলায় সর্বোচ্চ আদালত তাঁকে এই স্বস্তি দেয়। খেড়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি দাবি করেছিলেন যে রিঙ্কি ভুঁইয়া শর্মার একাধিক পাসপোর্ট রয়েছে। এর পরেই অসম পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।সংবিধানই সর্ববৃহৎ রক্ষাকবচদিল্লিতে পৌঁছে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পবন খেড়া তাঁর এই স্বস্তির কৃতিত্ব দেন ভীমরাও রামজি আম্বেদকর প্রণীত সংবিধানকে। তিনি বলেন, “যখনই কেউ সংকটে পড়েন বা কোনও দমনমূলক সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করেন, তখন আম্বেদকরের সংবিধানই তাঁর পাশে দাঁড়ায়। আমার ক্ষেত্রেও সংবিধানই রক্ষাকবচ হয়েছে।”তিনি আরও বলেন, সর্বোচ্চ আদালতের এই নির্দেশ সারা দেশে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—যখনই কোনও সরকার সাধারণ নাগরিকের অধিকার লঙ্ঘন করবে, সংবিধান তার সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।নির্বাচন কমিশন ও সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নপবন খেড়া কেন্দ্র ও কিছু রাজ্যের সরকারকে ‘দমনমূলক’ আখ্যা দিয়ে বলেন, আগামী দিনে জনগণ এর জবাব দেবে। তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বারবার কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও কমিশন তার কোনও জবাব দেয় না।খেড়া অভিযোগ করেন, অসম সরকার তাঁকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে। তবে বিচারব্যবস্থা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে অটুট রেখেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে সংবিধানের উপর তাঁর অটল বিশ্বাস রয়েছে এবং দমনমূলক শক্তির বিরুদ্ধে তাঁর লড়াই অব্যাহত থাকবে।










