বিতর্কিত পটভূমির ব্যক্তিকে শ্রমমন্ত্রী নিয়োগ, সরকারের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন

IMG-20260327-WA0101

কাঠমান্ডু: বালেন শাহ-এর নেতৃত্বাধীন নবগঠিত সরকারে মন্ত্রী নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশেষ করে শ্রমমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত দীপক কুমার শাহ-এর অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে সামাজিক মাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা বাড়ছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দীপক কুমার শাহকে বিক্রম সংবৎ ২০৭৩ সালের আশ্বিন ১২ তারিখে প্রতারণার অভিযোগে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি কাঠমান্ডুর পুতলি সড়ক এলাকায় একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে চিকিৎসা শিক্ষার ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে মানুষের কাছ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ নিয়েছিলেন।
তদন্তে আরও জানা যায়, তিনি নিজেকে ‘চিকিৎসক’ পরিচয়ে উপস্থাপন করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতেন। পুলিশের মতে, তিনি প্রকৃত চিকিৎসক ছিলেন না এবং প্রতারণার উদ্দেশ্যে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করছিলেন।
এ ধরনের পটভূমির একজন ব্যক্তিকে শ্রম ও কর্মসংস্থান সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া সরকারের নৈতিকতা ও সুশাসনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। বিশেষ করে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের মতো সংবেদনশীল ক্ষেত্রে বিশ্বাসযোগ্যতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহ মন্ত্রীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, কাজ করতে না পারলে পদত্যাগ করতে হবে। তবুও বিতর্কিত নিয়োগের কারণে তাঁর সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নিয়ে জনসাধারণ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনা বাড়ছে।
এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর বা শ্রমমন্ত্রী শাহের পক্ষ থেকে কোনো সরকারি প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে সামাজিক মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।

About Author

Advertisement