নয়াদিল্লি: লচ্চিত্র নির্মাণের কথা বললে সংখ্যার দিক দিয়ে ভারত বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ছবি তৈরির দেশগুলোর মধ্যে পড়ে এবং প্রতিটি চলচ্চিত্রের নির্মাণে পর্দার পেছনের সহায়ক হিসেবে সিনেমাটোগ্রাফারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। চলচ্চিত্র নির্মাণে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মানিত করতে ১৯৬৯ সালে দাদা সাহেব ফাল্কে পুরস্কারের সূচনা করা হয়েছিল।
সিনেমাটোগ্রাফার ভি. কে. মূর্তি-কে ২০০৮ সালের দাদা সাহেব ফাল্কে পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়। এটি প্রথমবারের মতো যে কোনো সিনেমাটোগ্রাফারকে চলচ্চিত্র জগতের সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হলো।
পূর্ববর্তী প্রজন্মের মানুষরা ভি. কে. মূর্তি-এর নামের সঙ্গে পরিচিত হবেন। তিনি ১৯৫৭–১৯৬২ সালের মধ্যে গুরুদত্তের শীর্ষ মানের সাদা-কালো চলচ্চিত্র ‘চৌদহইঁ का চাঁদ’, ‘কাগজ কে ফুল’ এবং ‘সাহব বিবি এবং গুলাম’-এর চিত্রনাট্য করেছেন। তাকে ২০০৮ সালের মর্যাদাপূর্ণ দাদা সাহেব ফাল্কে পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছিল এবং ২০ জানুয়ারি ২০১০-এ তাকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। সিনেমাটোগ্রাফারকে চলচ্চিত্র জগতের এই সর্বোচ্চ সম্মান অর্জন করতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছিল।
২০ জানুয়ারির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা:~
১৮১৭: কলকাতা হিন্দু কলেজের প্রতিষ্ঠা। বর্তমানে এটিকে প্রেজিডেন্সি কলেজ নামে পরিচিত।
১৯৫৭: প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু ভাভা পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র, ট্রাম্বে (মুম্বই)-এ দেশের প্রথম পারমাণবিক রিয়াক্টর আপসরা উদ্বোধন করেন।
১৯৬১: মার্কিন রাষ্ট্রপতি জন এফ. কেনেডি ঐতিহাসিক বক্তৃতায় বলেন, “এটি বলুন না যে, আপনার দেশ আপনার জন্য কী করতে পারে, বরং বলুন আপনি আপনার দেশের জন্য কী করতে পারেন।”
১৯৭২: অরুণাচল প্রদেশ, যা আগে নর্থ ইস্ট ফ্রন্টিয়ার এজেন্সি হিসেবে পরিচিত ছিল, কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চল হিসেবে গৃহীত হয় এবং মেঘালয়কে রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া হয়।
১৯৮১: ইরানে বন্দুকধারী সংকট শেষ। আয়াতুল্লাহ খুমেইনি ১৫ মাস ধরে বন্দি করা ৫২ জন আমেরিকান নাগরিককে মুক্তি দেন।
১৯৮৮: স্বাধীনতা সংগ্রামী ভারতরত্ন খান আব্দুল গফফার খানের মৃত্যু।
২০০৯: বারাক ওবামা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪তম রাষ্ট্রপতি হন। তিনি আফ্রিকান বংশোদ্ভূত প্রথম মার্কিন রাষ্ট্রপতি।
২০১৮: অন্ধ ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারত ধারাবাহিকভাবে দ্বিতীয়বারের জন্য শিরোপা জিতেছে।










