নয়াদিল্লি: বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র ভারতবর্ষে ১০ ফেব্রুয়ারি তারিখটির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। এই দিনেই ১৯৫২ সালে পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর নেতৃত্বে কংগ্রেস লোকসভার ৪৮৯টি আসনের মধ্যে ২৪৯টিতে জয়লাভ করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছিল। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের মর্যাদা পাওয়া ভারতের নাগরিকরা প্রতি পাঁচ বছর অন্তর ভোটের মাধ্যমে নিজেদের পছন্দের সরকার নির্বাচন করেন। তবে গণতন্ত্রের পথ বেছে নেওয়া এই দেশের সামনে ১৯৫২ সালে প্রথম লোকসভা নির্বাচন ছিল এক বিরাট চ্যালেঞ্জ।
পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন। ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ ছিল ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের এক ঐতিহাসিক দিন—যেদিন নেহরুর নেতৃত্বে কংগ্রেস ৪৮৯টি আসনের মধ্যে ২৪৯টিতে জয়লাভ করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করে। তখনও ১৩৩টি আসনের ফলাফল ঘোষণা বাকি ছিল। এই নির্বাচনকে ভারতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথে এক বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হয়।
দেশ-বিদেশের ইতিহাসে ১০ ফেব্রুয়ারি তারিখে সংঘটিত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলির ধারাবাহিক বিবরণ নিম্নরূপ—
১৮১৮: ইংরেজ বাহিনী ও মারাঠা বাহিনীর মধ্যে রামপুরে তৃতীয় ও শেষ যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
১৯২১: মহাত্মা গান্ধী কাশি বিদ্যাপীঠের উদ্বোধন করেন।
১৯২১: ডিউক অব কনট ইন্ডিয়া গেটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
১৯৫২: স্বাধীনতার পর প্রথম লোকসভা নির্বাচনে পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর নেতৃত্বে কংগ্রেস পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার শঙ্খনাদ করে।
১৯৯০: বৃহস্পতি গ্রহের উদ্দেশে যাত্রারত মহাকাশযান গ্যালিলিও শুক্র গ্রহের সামনে দিয়ে অতিক্রম করে।
১৯৯৬: দাবাকে বুদ্ধির খেলা হিসেবে ধরা হয়। আইবিএম দাবা খেলার কম্পিউটার ‘ডিপ ব্লু’ তৈরি করে। মানব মস্তিষ্ককে চ্যালেঞ্জ জানাতে দাবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন গ্যারি কাসপারভ ও ডিপ ব্লুর মধ্যে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে কাসপারভ ৪–২ ব্যবধানে জয়ী হন। পরের বছর অবশ্য ডিপ ব্লুই এই দ্বন্দ্বে বিজয়ী হয়।
২০০৫: ব্রিটেনের প্রিন্স চার্লস ও তাঁর দীর্ঘদিনের বন্ধু ক্যামিলা পার্কার বোলসের বিয়ের তারিখ ঘোষণা করা হয়।
২০০৯: প্রখ্যাত শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী পণ্ডিত ভীমসেন যোশীকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘ভারতরত্ন’ প্রদান করা হয়। ২০০৮ সালের নভেম্বর মাসে তাঁকে এই সম্মানে ভূষিত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
২০১০: পাকিস্তানের পেশোয়ারের কাছে খাইবার গিরিপথ এলাকায় পুলিশ আধিকারিকদের কনভয়ের উপর আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়। ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে পৌঁছনো দলকেও লক্ষ্য করা হয়। এতে ১৩ জন পুলিশ আধিকারিকসহ মোট ১৭ জনের মৃত্যু হয়।
২০১৩: এলাহাবাদে কুম্ভমেলার সময় পদদলিত হয়ে ৩৬ জনের মৃত্যু হয় এবং ৩৯ জন আহত হন।









