কলকাতা: ১৬৪ বছরে কলকাতার কলেবরে বদল এসেছে ঢের। কিন্তু যা বদলায়নি তা হলো কলকাতার স্ট্রিট ফুড। ফুড হিস্টোরিয়ানরা বলেন, পুরোনো কলকাতায় ফুটপাথের খাবারে ভেজাল ছিল না। আর ছিল না তেমন পরিচ্ছন্নতার অভাব। হালফিলের কলকাতায় বহু মানুষ এই স্ট্রিট ফুডের উপরেই নির্ভরশীল। কিন্তু এ কথা কেউ অস্বীকার করেন না যে, স্ট্রিট ফুডের স্টলগুলির অধিকাংশের সঙ্গে হাইজিন-এর বিশেষ সম্পর্ক নেই। সেই জন্যই এ বার কলকাতার স্ট্রিট ফুড বিক্রেতাদের জন্য এবার হাইজিন-এর কর্মশালার আয়োজন করছে ভারত চেম্বার্স অফ কমার্স। তাঁদের সহযোগী পার্টনার একটি ভোজ্য তেল সংস্থা। এই বিষয়ে কলকাতা প্রেস ক্লাবে এক কর্মসূচির সূচনা হলো। অনুষ্ঠানে আয়োজকদের তরফ থেকে সম্মান জানানো হয় কয়েক জনকে। তাঁদের মধ্যে ডেকার্স লেনের চিত্তবাবুর দোকানের কর্ণধার, বিখ্যাত চিনে সস এবং মসলা সংস্থার কর্ণধার ডমিনিক পৌ চং, ৫০ বছর ধরে শহরের ফুচকা বিক্রি করা রাজেন্দ্রপ্রসাদ চৌহান। রাজেন্দ্রপ্রসাদের মুগডালের ভিক্টোরিয়া বড়া খেয়েছেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন।

এ দিনের অনুষ্ঠানে ছিলেন ফুড হিস্টোরিয়ান হরিপদ ভৌমিক, তিনটি রেস্তোরাঁ চেনের অন্যতম কর্ণধার শিলাদিত্য চৌধুরী, আয়োজক ভোজ্য তেল সংস্থার চিফ বিজনেস অফিসার ধিমল ব্রক্ষ্মভাট, এবং ওই সংস্থারই মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি হেড শিবম আগরওয়াল, ভারত চেম্বার্স অফ কমার্স-এর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি রুদ্রানী মিত্র।









