সৌদি–ইউএই আকাশসীমা বন্ধের ঘোষণা

FB_IMG_1769847857108

নয়া দিল্লি: ইরানের ওপর সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক হামলার আশঙ্কা বজায় থাকলেও, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)-সহ একাধিক উপসাগরীয় দেশ তাদের আকাশসীমা কোনো হামলার জন্য ব্যবহার করতে দেবে না বলে ঘোষণা করেছে। এই পদক্ষেপকে অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা কমানোর ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সৌদি আরব, ইউএই, কাতার ও ওমান এই দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, উভয়ের সঙ্গেই যোগাযোগ রাখছে। তাদের লক্ষ্য, এই অঞ্চলে যেন যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি না হয়। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ধারাবাহিকভাবে ইরানের ওপর চুক্তিতে পৌঁছানোর চাপ বাড়াচ্ছেন এবং সতর্ক করে দিয়েছেন যে সময় ফুরিয়ে আসছে।
ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা তাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো সমঝোতায় যাবে না। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, হুমকির ভিত্তিতে কোনো চুক্তি হয় না।
এই উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তুরস্কও কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করে সতর্ক করেছে যে, ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিতে উসকানি দিচ্ছে, যা পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরব ও ইউএই-এর এই সিদ্ধান্ত মার্কিন সামরিক পরিকল্পনাকে জটিল করে তুলবে ঠিকই, তবে একে পুরোপুরি অসম্ভব করে তুলবে না। যুক্তরাষ্ট্র সমুদ্রপথ, বিমানবাহী রণতরি এবং অন্যান্য দেশের আকাশসীমা ব্যবহার করে অভিযান চালাতে পারে।
আরব ও মুসলিম দেশগুলোর আশঙ্কা, যেকোনো ধরনের হামলা মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর সংঘাতের জন্ম দিতে পারে এবং ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ও গ্যাস স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে।

About Author

Advertisement