দিনহাটা: সীমান্ত গ্রামের স্কুলে চালু হলো ডিজিটাল স্কুল অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম। বুধবার দিনহাটা দুই ব্লকের সীমান্ত গ্রাম শুকারুরকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কুর্শাহাট হাইস্কুলে প্রযুক্তির নতুন এই সিস্টেম চালু হয়। সীমান্ত গ্রামের স্কুলে আধুনিকতার ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে পড়াশোনার ছবি।দিনহাটা মহকুমার সীমান্তবর্তী গ্রাম কুর্শাহাট। শহরের চাকচিক্য থেকে অনেক দূরে হলেও এই গ্রামের সরকারি হাইস্কুল প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। যেখানে এখনও বহু অভিভাবক মনে করেন ভালো পড়াশোনার জন্য বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যমই একমাত্র ভরসা, সেখানে কুর্শাহাট হাইস্কুল ভেঙে দিল সেই ধারণা।এই বিদ্যালয়ে সম্প্রতি চালু হয়েছে স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল অ্যাটেনডেন্স ব্যবস্থা। প্রতিটি পড়ুয়ার হাতে রয়েছে ডিজিটাল পরিচয়পত্র। স্কুলে ঢোকা বা বেরোনোর সময় কার্ড স্ক্যান করলেই উপস্থিতির তথ্য পৌঁছে যাচ্ছে স্কুল সার্ভারে। মুহূর্তের মধ্যেই অভিভাবকদের মোবাইলে এসএমএস পৌঁছে যাচ্ছে। তারাও জানতে পারছে তাদের ছেলেমেয়েরা স্কুলে উপস্থিত” অথবা “স্কুল ছুটি হয়েছে।”ফলে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা যেমন নিশ্চিত হচ্ছে, তেমনই বাড়ছে নিয়মানুবর্তিতা।শুধু উপস্থিতি নয়—শ্রেণিকক্ষে এসেছে ডিজিটাল ক্লাসরুম। স্মার্ট বোর্ড, অডিও-ভিজ্যুয়াল পাঠে পড়াশোনা এখন আরও প্রাণবন্ত। স্কুল চত্বরে দেওয়ালে দেওয়ালে আঁকা শিক্ষামূলক চিত্র ও বার্তা পড়ুয়াদের শেখার আগ্রহ বাড়াচ্ছে।এই পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছেন প্রধান শিক্ষক অনিমেষ সরকার। তাঁর ভাবনা, বিদ্যালয় পরিচালন কমিটি ও অভিভাবকদের সম্মিলিত সহযোগিতায় আজ সীমান্ত গ্রামের এই সরকারি স্কুল হয়ে উঠেছে আধুনিক শিক্ষার আলোকবর্তিকা। এদিন স্কুলে ডিজিটাল স্কুল অ্যাটেন্ডেন্স সিস্টেম ও স্কুল মোবাইল অ্যাপের উদ্বোধন হলো। এর ফলে পড়ুয়ারা স্কুলে এসে ঠিকমতো পৌঁছাল কিনা সেটা যেমন জানতে পারবে অভিভাবকরা তেমনি শ্রেণিকক্ষে এসেছে ডিজিটাল ক্লাসরুম। পরিকাঠামোর অভাব নয়, আসল শক্তি ইচ্ছাশক্তি।











