জয়পুর: দ্রৌপদী মূর্মু শুক্রবার রাজস্থানের জয়সলমের জেলায় ভারত-পাক সীমার নিকটে হালকা যুদ্ধকারী হেলিকপ্টার (এলসীএচ) ‘প্রচণ্ড’-এ সহ-পাইলট হিসেবে উড়ান চালিয়েছেন। উড়ানটি জয়সলমের এয়ারফোর্স স্টেশন থেকে শুরু হয় এবং উড়ানের আগে ক্যাপ্টেন রাষ্ট্রপতিকে হেলিকপ্টারের পরিচালনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছিলেন।
রাষ্ট্রপতি মূর্মু আলিভ গ্রিন রঙের ইউনিফর্ম ও হেলমেট পরিধান করে ‘প্রচণ্ড’-এ সহ-পাইলট হিসেবে উড়ান চালিয়েছেন এবং এটিকে আত্মনির্ভরতার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, “প্রচণ্ড হেলিকপ্টার আত্মনির্ভরতার শক্তিশালী প্রতীক। আমি জয়সলমের বিখ্যাত কিলার উপরে দিয়ে উড়ছি। দেশের সাহসী সৈন্যদের প্রতি আমি অত্যন্ত গর্বিতভাবে ধন্যবাদ জানাই। জয় হিন্দ, জয় ভারত।” উড়ানের আগে রাষ্ট্রপতি ককপিট থেকে হাত নাড়িয়ে অভিবাদন জানিয়েছিলেন।
প্রচণ্ড হেলিকপ্টারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
দেশীয় নির্মাণ: প্রচণ্ড ভারতের প্রথম দেশীয় ডিজাইন ও নির্মিত যুদ্ধকারী হেলিকপ্টার, যা তৈরি করেছে হিন্দুস্থান এরোনটিক্স লিমিটেড।
উচ্চতা ও কঠিন পরিবেশে অপারেশন: এটি ১৬,০০০ ফুটের বেশি উচ্চতায় উড়তে পারে এবং সিয়াচিন ও লাদাখের মতো কঠিন অঞ্চলের জন্য উপযুক্ত।
হথিয়ার ক্ষমতা: প্রচণ্ড-এ রয়েছে ২০ মিমি টারেট গান, ৭০ মিমি রকেট এবং এয়ার-টু-এয়ার ও এয়ার-টু-গ্রাউন্ড মিসাইল (যেমন হেলিনা/ধ্রুবাস্ত্র এবং মিস্ট্রাল)।
বিবিধ মিশন: এই হেলিকপ্টার এ্যান্টি-আর্মার, এ্যান্টি-এয়ার, ক্লোজ এয়ার সাপোর্ট, এসকোর্ট, এ্যান্টি-ট্যাংক অপারেশন এবং কাউন্টার-ইনসারজেন্সি মিশন করতে সক্ষম।
প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য: প্রচণ্ডে টার্গেটিং পড, থার্মাল ইমেজিং, সেলফ-প্রোটেকশন স্যুট এবং কম রাডার সিগনেচার ডিজাইন রয়েছে, যা দিনে-রাতে এবং শত্রুর রাডার বা মিসাইল থেকে রক্ষা সম্ভব করে।
প্রচণ্ড হেলিকপ্টার ভারতীয় সেনা ও বিমানবাহিনীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি বিশ্বের নির্বাচিত উন্নত আক্রমণকারী হেলিকপ্টারগুলির মধ্যে গণ্য করা হয়।









