কোচবিহার: কেন্দ্রীয় সরকার যখন বিভিন্ন প্রকল্পে রাজ্য সরকারের বরাদ্দ টাকা আটকে রেখেছে সেই অভিযোগে ইতিমধ্যে যখন দলের পক্ষ থেকে আন্দোলন শুরু হয়েছে ঠিক সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্য সরকার বাংলার বাড়ি প্রকল্পে গরিব মানুষকে দিচ্ছে ঘর। এই প্রকল্পে তালিকায় নাম থাকলেও জেলায় প্রায় তিন হাজার উপভোক্তাকে বরাদ্দ টাকা পাঠাতে সমস্যায় পড়েছে কোচবিহার জেলা প্রশাসন। কোচবিহার জেলা প্রশাসন সূত্রেই জানা গিয়েছে, প্রথম দফায় বাংলার বাড়ি প্রকল্পে জেলার ১লক্ষ ১৩ হাজার ৬৬২ জন উপভোক্তাকে দুই দফায় ৬০ হাজার টাকা করে মোট ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। চলতি জানুয়ারি মাসে দ্বিতীয় দফায় জেলার আরও ১ লক্ষ ৮৬ হাজার ৪৮৯ জন উপভোক্তাকে ওই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়। প্রথম কিস্তিতে প্রত্যেককে ৬০ হাজার টাকা করে দেওয়ার কাজ শুরু হয়। কিন্তু প্রায় তিন হাজার উপভোক্তাকে নানা জটিলতায় টাকা পাঠান যাচ্ছেনা। ওই উপভোক্তাদের একাংশের জমি নেই। কিছু অংশের আবার তালিকাভুক্ত ব্যক্তির মৃত্যুজনিত কারণে উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে জটিলতা তৈরি রয়েছে। এছাড়াও বেশ কিছু ক্ষেত্রে অনেকের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়েছে। এদিকে তৃণমূলের কোচবিহার জেলা চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার বিভিন্ন প্রকল্পে কয়েক লক্ষ কোটি টাকা আটকে রেখেছে। ১০০ দিনের কাজ থেকে শুরু করে আবাস যোজনায় বরাদ্দ টাকা আটকে রাখায় সমস্যায় পড়েছেন গ্রামের সাধারণ মানুষ। তাদেরকে সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুরু করেছেন বাংলার বাড়ি প্রকল্প। এই প্রকল্পে কোচবিহারে প্রায় দুই লক্ষ উপভোক্তাকে সরকারি সাহায্য দিচ্ছে রাজ্য সরকার। সে ক্ষেত্রে কারো কারো জায়গার সমস্যা থাকায় সাময়িক অসুবিধা হলেও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে চেষ্টা করা হচ্ছে দ্রুত তাদের কাছে সেই সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। এদিকে, কোচবিহারের অতিরিক্ত জেলাশাসক জেলা পরিষদ সৌমেন মজুমদার বলেন, ” একাধিক কারণে কিছু তালিকাভুক্ত কয়েক হাজার উপভোক্তাকে টাকা পাঠাতে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে সেই বিষয়টি মেটানোর জন্য চেষ্টা হচ্ছে।










