হুবলি: ভারতীয় ঘরোয়া ক্রিকেটের ইতিহাসে যুক্ত হল এক নতুন অধ্যায়। শনিবার কর্ণাটকের বিরুদ্ধে ফাইনাল ম্যাচ ড্র হওয়ার পর প্রথম ইনিংসে লিডের ভিত্তিতে জম্মু-কাশ্মীর তাদের প্রথম রঞ্জি ট্রফি শিরোপা জিতে নিল। ৬৭ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে দেশের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ঘরোয়া টুর্নামেন্টের ট্রফি নিজেদের করে নিল দলটি।
ফাইনালে জম্মু-কাশ্মীর প্রথম ইনিংসে ৫৮৪ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে। দলের হয়ে ছয়জন ব্যাটার ৫০ বা তার বেশি রান করেন, যার মধ্যে শুভম পুন্ডিরের ১২১ রানের শতরান উল্লেখযোগ্য।
জবাবে কর্ণাটক প্রথম ইনিংসে ১৯৩ রান তোলে। ময়ঙ্ক আগরওয়াল ১৬০ রানের শতরান করলেও বাকি ব্যাটাররা বড় রান করতে ব্যর্থ হন। জম্মু-কাশ্মীরের পেসার আওকিব নবী ৫ উইকেট নিয়ে কর্ণাটককে চাপে ফেলেন। প্রথম ইনিংসে ২৯১ রানের লিডই শেষ পর্যন্ত শিরোপা জয়ের ভিত্তি গড়ে দেয়। ফলো-অন না দেওয়ার সিদ্ধান্তও চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য সঠিক প্রমাণিত হয়।
শনিবার দ্বিতীয় ইনিংসে জম্মু-কাশ্মীর ১১৩ ওভারে ৪ উইকেটে ৩৪২ রান তোলে এবং মোট লিড দাঁড়ায় ৬৩৩ রানে। এরপর অধিনায়ক পারাস ডোগরা ইনিংস ঘোষণা করেন এবং দুই দল ম্যাচ ড্র করতে সম্মত হয়। দ্বিতীয় ইনিংসে কামরান ইকবাল অপরাজিত ১৬০ এবং সাহিল লোত্রা অপরাজিত ১০১ রান করেন।
এই ঐতিহাসিক জয়ে আওকিব নবীর বড় অবদান রয়েছে। তিনি এ মরশুমে ৬০টি উইকেট নিয়েছেন। অন্যদিকে অধিনায়ক পারাস ডোগরা এই মরশুমে ১০,০০০ রান পূর্ণ করেন।
এই মরশুমের আগে পর্যন্ত জম্মু-কাশ্মীর ৩৩৪টি রঞ্জি ম্যাচ খেলে মাত্র ৪৫টি জয় পেয়েছিল। দলটি প্রথমবার ১৯৫৯-৬০ মরশুমে রঞ্জি ট্রফিতে অংশগ্রহণ করে এবং প্রথম জয় পেতে ৪৪ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছিল (১৯৮২-৮৩ মরশুমে সেনা দলের বিরুদ্ধে)।










