মধ্য-প্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে চাপ

36lftqns_cylinder_625x300_10_March_26

নয়াদিল্লি: মধ্য-প্রাচ্যে বাড়তে থাকা সামরিক উত্তেজনার কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বেড়েছে। এই পরিস্থিতির প্রভাব ভারতে গৃহস্থালি রান্নার গ্যাসের সরবরাহকে কেন্দ্র করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
সরকারের পদক্ষেপ—এসএমএ কার্যকর:
পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভারত সরকার দেশের সব জায়গায় প্রয়োজনীয় সেবা রক্ষণাবেক্ষণ আইন কার্যকর করেছে। এই আইনের আওতায় প্রয়োজনীয় সেবায় কাজ করা কর্মচারীরা ধর্মঘট বা কাজ থেকে বিরত থাকতে পারবেন না।
সরকারে রিফাইনারি ও পেট্রোকেমিক্যাল ইউনিটগুলোকে গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর এবং প্রধান হাইড্রোকার্বন উৎসগুলো গ্যাস পুলে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে, যাতে গ্যাসের ধারাবাহিক সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়।
উদ্বেগের কারণ:
সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, মধ্য-প্রাচ্যে বিভিন্ন দেশগুলোর মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজার প্রভাবিত হয়েছে।
ফলস্বরূপ, ভারতে গৃহস্থালি গ্যাসের চাহিদা প্রায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
বুকিং নিয়মে পরিবর্তন:
উদ্বেগে অতিরিক্ত কেনাকাটা এবং মজুদ প্রতিরোধের জন্য সরকার গ্যাস সিলিন্ডারের বুকিং সময় ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করেছে।
তেলের দামে আপাতত অবকাশ:
আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচা তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারের ওপরে পৌঁছেছে। তবে সরকার আপাতত পেট্রল এবং ডিজেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়নি।
তেল বিপণন সংস্থাগুলো আপাতত বাড়তি খরচের চাপ নিজস্বভাবে বহন করবে।
ভারতের মজুদ পরিস্থিতি:
সরকারের মতে, ভারতের কাছে কাঁচা তেল এবং পেট্রোলিয়াম পণ্যের প্রায় ৭৪ দিনের মজুদ রয়েছে, যা কোনো বৈশ্বিক সংকটের সময় সরবরাহ বজায় রাখতে সাহায্য করবে।

About Author

Advertisement