ষড়যন্ত্র চলছে। দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে উত্তেজনা ও সহিংসতার কারণ ষড়যন্ত্র: হাসিনা
নয়াদিল্লি: আপার বাংলাদেশে আগুন জ্বলছে। সিংহাসন ইতিমধ্যেই বদলে গেছে, কিন্তু বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ এখনও তাদের শান্তি ফিরে পায়নি। এদিকে, বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিবেশী দেশের পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুলেছেন। ভারতের মাটিতে ‘আশ্রয়’ নেওয়ার বিষয়ে হাসিনার মন্তব্য সকল ক্ষেত্রে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
হাসিনা কী বললেন?
একটি সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের যে নেতিবাচকতা দেখা যাচ্ছে তা সম্পর্কে জানতে চাইলে হাসিনা বলেন, ‘আপনি যে সম্পর্কের অবনতি দেখছেন, তা সম্পূর্ণরূপে ইউনূসের কারণে।’ হাসিনা দাবি করেন যে বর্তমান অস্থিতিশীলতা ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ঐতিহাসিক কূটনৈতিক সম্পর্ককে গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ইউনূস সরকার ভারতের বিরুদ্ধে বিবৃতি দিচ্ছে, সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে এবং6 চরমপন্থীদের পররাষ্ট্র নীতি নির্ধারণের সুযোগ দিচ্ছে। তবে, তিনি ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে স্থিতিশীলতার আশা প্রকাশ করেছেন। হাসিনা বলেন, ‘ভারত বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু এবং বহু দশক ধরে অংশীদার।’
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সহিংসতার কারণ ব্যাখ্যা করে হাসিনা বলেন, ‘এই অস্থিরতা তৈরি করেছে ইউনূস আমলের সমর্থিত উগ্রপন্থীরা। তারাই ভারতীয় দূতাবাসের সামনে মিছিল করেছে, সংবাদপত্র অফিসে হামলা করেছে, সংখ্যালঘুদের হত্যা করেছে, আমাকে এবং আমার পরিবারের সদস্যদের তাদের জীবনের জন্য দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য করেছে।’
উত্তরবঙ্গের জন্য উদ্বেগ:
শিলিগুড়ি থেকে দিনহাটা পর্যন্ত সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় উত্তরবঙ্গের মানুষের চোখ সর্বদা অন্যদিকে থাকে। রাজনৈতিক মহলের মতে, হাসিনার এই ‘চতুর পদক্ষেপ’ আসলে ইউনূস সরকারের উপর মানসিক চাপ তৈরি করার জন্য।









