কলকাতা: একদা তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড মুকুল রায়ের অন্তিম যাত্রায় শেষ পর্যন্ত থাকলেন বর্তমান নম্বর টু সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এদিন বিধানসভায় মুকুল রায়ের মরদেহে মাল্যদানের পর বীজপুর বিধানসভার অন্তর্গত কাঁচরাপাড়ার বাড়িতে গিয়েও মুকুল রায়ের শেষ যাত্রায় পা মেলালেন তিনি৷ আগাগোড়াই মুকুল পুত্র হাপুনের পাশে বড় দাদার মতো ছিলেন অভিষেক৷ জানা গেছে, মুকুল রায়ের প্রয়াণের খবর পাওয়ার পরই শুভ্রাংশুকে ফোন করেন অভিষেক৷ হাসপাতালে দাঁড়িয়েই শুভ্রাংশু জানান, ‘মুকুল রায়ের শেষ যাত্রার যাবতীয় ব্যবস্থা অভিষেকই করে দিয়েছেন৷’ উল্লেখ্য, বিধানসভা থেকে মুকুল রায়ের মরদেহ কাঁচরাপাড়া ৬নম্বর ওয়ার্ড ঘটক রোডে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়৷ সেখানেও পৌঁছে যান অভিষেক৷ সেখান থেকে শোক মিছিল করে মুকুল রায়ের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় হালিশহর মহাশ্মশানে৷ শুভ্রাংশুর সঙ্গে মুকুল রায়ের সেই শেষ যাত্রাতেও পা মেলান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷বস্তুত অভিষেকের আগে মুকুল রায়ই দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পদে ছিলেন, ছিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরের স্থানেই৷ মুকুল রায়ের দলত্যাগের পর সেই দায়িত্ব পেয়েছিলেন অভিষেক৷ এখনও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেই দায়িত্বেই রয়েছেন৷ সে অর্থে নিজের পূর্বসূরিকে শেষ যাত্রায় প্রাপ্য সম্মান জানালেন অভিষেক৷ এক্স হ্যান্ডেলে মুকুল রায়কে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে অভিষেক লেখেন, ‘মুকুল রায়ের প্রয়াণে শেষ হল বঙ্গ রাজনীতির ইতিহাসের একটা অধ্যায়৷ একজন অভিজ্ঞ প্রবীণ নেতা, এই রাজ্যের সাধারণ জনগণের তথা রাজনৈতিক পরিবর্তনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সৃষ্টির অন্যতম সেনানী, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য৷ শুরু দিন থেকেই যিনি দলের সাংগঠনিক বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন৷ জনজীবনের প্রতি তাঁর নিষ্ঠা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হবে।’ এক কথায়, মুকুল রায়ের শেষ যাত্রা হয়ে রইল অভিষেক-ময়!








