কাঠমান্ডু: আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এবং দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাথে বৈঠকের পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আর মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি।
আইসিসি জানিয়েছে যে টুর্নামেন্টের সময়সূচীতে কোনও পরিবর্তন সম্ভব নয়। এই ধরনের টুর্নামেন্ট ক্রিকেট বোর্ড এবং ক্রিকেটারদের আয়ের একটি বড় উৎস। বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না করার ফলে বোর্ড এবং ক্রিকেটারদের আর্থিক ক্ষতি হবে। বিসিবি যদি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করত, তাহলে তারা প্রায় ৪ কোটি বাংলাদেশি টাকা (৩০০,০০০ মার্কিন ডলার) পেত।
শীর্ষ ১২টি দল যদি টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করত, তাহলে তারা প্রায় ৪৫০,০০০ মার্কিন ডলার পাবে, যার অর্থ বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা ম্যাচ ফি, পারফরম্যান্স বোনাস এবং পুরস্কারের সুযোগ হারাবে। এর ফলে খেলোয়াড়দের উপরও ব্যক্তিগতভাবে উল্লেখযোগ্য আর্থিক প্রভাব পড়বে।
এই প্রতিযোগিতার পুরস্কারের অর্থ হবে ইতিহাসের সর্বোচ্চ, যেখানে মোট ২০টি দল অংশগ্রহণ করবে। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৪ বিশ্বকাপের রানার্সআপ দল ১.২৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পাবে।
আইসিসি সভাপতি আমিনুল বুলবুল বলেছেন যে বাংলাদেশকে ছাড়া বিশ্বকাপ আয়োজন আইসিসির জন্য একটি লোকসানের উদ্যোগ হবে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে ক্রিকেট ভক্তদের ভারতে ভ্রমণ অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের কলকাতায় তিনটি এবং মুম্বাইতে একটি ম্যাচ খেলার কথা ছিল, তবে নিরাপত্তার উদ্বেগ উত্থাপিত হয়েছে।
এই পরিস্থিতির ফলে বিসিবি এবং দেশের ক্রিকেট খেলোয়াড়দের জন্য উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষতি হবে, যা ক্রিকেটের বাণিজ্যিক স্বার্থকেও প্রভাবিত করবে।









