বিজেপি প্রার্থী অজয় রায় সমর্থনে রোড শো’তে সুকান্ত মজুমদার

oardefault

দিনহাটা: বাপি মন্ডল দিনহাটার প্রান্তিক বাজারে বিজেপির নেতা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারকে কালো পতাকা দেখালো তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। সুকান্ত মজুমদার দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অজয় রায় সমর্থনে রোড শোতে অংশ নিতে আসার সময় প্রান্তিক বাজারে এলাকায় থাকে কালো পতাকা দেখানো হয়।
এদিন রোডশো শুরুর আগে শহরের মদনমোহন বাড়ি মন্দিরে পুজো দেন সুকান্ত মজুমদার। এরপর সেখান থেকে দলীয় প্রার্থীকে নিয়ে রোড শো শহরের পাঁচ মাথার মোর পর্যন্ত গিয়ে সেখানে শেষ। এদিকে বিজেপি নেতাকে কালো পতাকা দেখানোর সময় পুটিমারী এক অঞ্চল নেতৃত্ব ছাড়াও বেশ কয়েকজন পঞ্চায়েত সহ দলীয় কর্মী সমর্থকরা অংশ নেয় ওই কর্মসূচিতে বলে বিজেপির অভিযোগ। তৃণমূল অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তৃণমূলের দিনহাটা এক ব্লক সভাপতি অনন্ত বর্মণ বলেন,”এস আই আর নিয়ে সাধারণ মানুষ যেভাবে নাকাল হচ্ছে ক্ষুব্ধ হয়ে তারাই বিভিন্ন জায়গায় পথ অবরোধ এমনকি বিজেপি নেতাদের দেখলেই ক্ষোভ প্রকাশ করছেন নানাভাবে।
বিজেপি নেতাকে কালো পতাকা দেখানোর সাথে তৃণমূলের কোনো সম্পর্ক নেই।”এদিকে বুধবার সুকান্ত মজুমদার দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অজয় রায় সমর্থনে রোড শোতে অংশ নিতে আসার সময় প্রান্তিক বাজারে এলাকায় থাকে কালো পতাকা দেখানোকে ঘিরে ব্যাপক আলোড়ন ছড়িয়ে পড়ে। পুটিমারী এক অঞ্চল নেতৃত্ব ছাড়াও বেশ কয়েকজন পঞ্চায়েত সহ দলীয় কর্মী সমর্থকরা অংশ নেয় ওই কর্মসূচিতে বলে বিজেপির অভিযোগ। তৃণমূল অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তৃণমূলের দিনহাটা এক ব্লক সভাপতি অনন্ত বর্মণ বলেন,”এস আই আর নিয়ে সাধারণ মানুষ যেভাবে নাকাল হচ্ছে ক্ষুব্ধ হয়ে তারাই বিভিন্ন জায়গায় পথ অবরোধ এমনকি বিজেপি নেতাদের দেখলেই ক্ষোভ প্রকাশ করছেন নানাভাবে।
বিজেপি নেতাকে কালো পতাকা দেখানোর সাথে তৃণমূলের কোনো সম্পর্ক নেই।”সুকান্ত মজুমদার বলেন,”কোথাও কালো পতাকা দেখিনি তবে তৃণমূল নেতাদের মুখটাই কালো। নানা রকম দুষকর্মের সাথে যুক্ত তারা। তাই তারা সামনে দাঁড়ালে এমনি সাধারণ মানুষ বুঝে যায় ওটা কালো পতাকার সমান। পাশাপাশি তিনি আরো বলেন,দিনহাটাকে যদি সন্ত্রাসমুক্ত করতে হয়, দুর্নীতিমুক্ত করতে হয়, কোন একজন ব্যক্তি যদি কোন একটি রাজনৈতিক দল করে বলে তার বাড়ি ভেঙে দিতে হবে , বাড়ি লুট করতে হবে এই দুঃস্বপ্ন থেকে যদি বের হতে হয় এই দিনহাটা যিনি বিধায়ক হয়ে আছেন যাকে আড়ালে আবডালে লোকে গুন্ডা বলে ডাকেন এই গুন্ডা উদয়ন গুহর বিসর্জন দিতে হবে। আগে কোচবিহার জেলা বামপন্থীদের দখলে ছিল ফরওয়ার্ড ব্লকের দখলে ছিল। সেই ফরওয়ার্ড ব্লকের নেতারাই জামা পরিবর্তন করে তারা তৃণমূলে গেছে। সাংসদ থেকে শুরু করে সংসদ স্ত্রী সবাই ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে আসা।
দিনহাটার বিধায়ক ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে আসা। সেই অত্যাচার এখনও চলছে। দিনহাটার মানুষকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে এখানকার ক্ষমতাভার নরেন্দ্র মোদির হাতে দিতে হবে। মানুষের কাছে আমরা সেই আবেদন রেখেছি। যদি এই জায়গা থেকে মুক্তি চান। এক প্রশ্নের উত্তরে সুকান্ত বলেন, সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটছে কোচবিহারে। কোচবিহারের থানার যিনি আইসি তিনি তৃণমূলের কোচবিহার জেলা সভাপতি বন্ধু। তারা দুজনেই জলপাইগুড়ি থেকে ল পাস করেছে। সেই দুজনে মিলে আমাদের পার্থের উপর আক্রমণের ঘটনা ঘটাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের কাছে আমরা অনুরোধ জানাবো এই আইসিকে দ্রুত যাতে তার পদ থেকে সরানো হয়। কোতোয়ালি থানার আইসি থাকলে নিরপেক্ষ ভোট সম্ভব নয় কোচবিহারে। আরো বিভিন্ন জায়গায় এ ধরনের ঘটনা ঘটছে।
নির্বাচন কমিশন কে বলবো কড়া হাতে দেখার জন্য। বিশেষ করে দিনহাটায় নজরদারি রাখতে। আমরা সবাই জানি দিনহাটার বিধায়ক কি জিনিস। এর সাথে সিতাই আছে, শীতলকুচি আছে। এইসব জায়গাগুলি আতঙ্কের পরিবেশ বছরের পর বছর ধরে তৈরি করে রেখেছে তৃণমূল কংগ্রেস।সিতাই কেন্দ্রের প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভ বিক্ষোভ প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, যখন প্রার্থী ঘোষণা হয় তখন কিছু ক্ষোভ বিক্ষোভ থাকে। ধরুন আমার ক্যান্ডিডেট হওয়ার কথা ছিল টিকিট পেয়েছেন অন্যজন। সেক্ষেত্রে দুঃখ হবেই। আমাদের কাছে কোন লিখিত কিংবা প্রতিবাদ পত্র এখনো আসেনি। সাময়িক কিছু ক্ষোভ বিক্ষোভ হয়েছে। আমরা ওই আসন থেকে যাদেরকে পার্টি করেছি তারা আমাদের জোটের অংশ।
প্রচারে যেভাবে মানুষের শুভেচ্ছা মিলছে তাতে দিনহাটা কেন্দ্রে গুন্ডারাজের অবসান হবে। বিজেপি প্রার্থীর জয় নিশ্চিত।সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য প্রসঙ্গে তৃণমূল প্রার্থী মন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেন, এরা শিক্ষিত শিক্ষক কিন্তু ভদ্রলোক নয়।একজন ভদ্রলোক যে কথাটা বলতে পারে না সে কথাটাও বলেছে। উনাকে কালো পতাকা দেখিয়েছে, ওটা তৃণমূলের লোকেরা দেখায়নি। যাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে তারা দেখিয়েছে। এই ধরনের ঘটনা আরো ঘটবে আরো গ্রামে ভেতরে গেলে। কালো পতাকা দেখাবে এমনকি কালো কাপড় পরিয়ে দিতে পারে।

About Author

Advertisement