কলকাতা: সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে তারিক রহমান এর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি (বিএনপি) ঐতিহাসিক জয় লাভ করেছে এবং নতুন সরকার গঠনের পথে এগোচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন এবং ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তবে আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও তিনি স্পষ্ট করেন।
অন্যদিকে, নবান্ন ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, জমাত এ ইসলামী পশ্চিমবঙ্গ, অসম ও মেঘালয়ের সীমান্তসংলগ্ন একাধিক আসনে জয় পেয়েছে।
নবান্নের মতে, নির্বাচনের ফলাফল সরাসরি নিরাপত্তা হুমকির ইঙ্গিত না দিলেও স্থানীয় রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণে পরিবর্তনের ফলে “নির্বাচিত অনুপ্রবেশ” এবং সামাজিক–রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকে সীমান্তবর্তী এলাকায় বেআইনি কার্যকলাপ, ধর্মীয় আন্দোলন ও চরমপন্থী মতাদর্শের বিস্তার রুখতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্র ও রাজ্য স্তরে সমন্বয় জোরদার করে নিয়মিত টহল ও নজরদারি নিশ্চিত করা হচ্ছে, যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মোকাবিলা দ্রুত করা যায়।









