মুম্বই: গত কয়েক মাস ধরে কুমার শানুর বিরুদ্ধে তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী রীতা ভট্টাচার্য একের পর এক অভিযোগ করে আসছিলেন। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে রীতা ভট্টাচার্য জানান, গর্ভাবস্থায় তাঁকে অত্যন্ত কষ্টকর সময়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। পাশাপাশি তিনি কুমার শানুর বিরুদ্ধে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের (পরকীয়া) অভিযোগও তোলেন।
এরপর গায়ক কুমার শানু তাঁর প্রাক্তন স্ত্রীর বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করেন। যদিও পরে গায়কের প্রাক্তন স্ত্রী মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন জানান। অবশেষে এই মামলার রায় ঘোষণা করেছে আদালত।
রীতা ভট্টাচার্যের ধারাবাহিক বিস্ফোরক মন্তব্যের জেরে কুমার শানু বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত সব সাক্ষাৎকার সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান। গায়কের দাবি, তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী মিথ্যা অভিযোগ করেছেন, যার ফলে তাঁর ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আদালতে কুমার শানুর আইনজীবী জানান, প্রাক্তন স্ত্রীর কারণে তাঁর মক্কেলের শুধু ভাবমূর্তির ক্ষতি হয়নি, আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি তিনি মানসিকভাবেও বিপর্যস্ত হয়েছেন। এই প্রেক্ষিতে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, কুমার শানুর প্রাক্তন স্ত্রী যেন গায়ককে নিয়ে কোনো ধরনের আপত্তিকর মন্তব্য না করেন। অর্থাৎ, আদালতের রায় কুমার শানুর পক্ষেই গেছে।
এদিকে, ‘বিগ বস’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে কুনিকা সদানন্দ কুমার শানুর সঙ্গে তাঁর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কথা প্রকাশ করার পর বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়। এক সাক্ষাৎকারে রীতা ভট্টাচার্য বলেন, “আমি যখন গর্ভবতী ছিলাম, তখন তাঁর আরেকটি বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল, যা অনেক পরে প্রকাশ্যে আসে। সেই সময় আমাকে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তখন আমার বয়স খুবই কম ছিল। মনে হয়েছিল, আমার পায়ের নিচের মাটি সরে যাচ্ছে। আমার পরিবারও স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল।”









