নয়াদিল্লি: বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। খালেদা জিয়ার দীর্ঘ অসুস্থতার পর ৮০ বছর বয়সে তিনি মারা গেছেন।
মোদীর বার্তা:
প্রধানমন্ত্রী মোদী সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এ পোস্ট করে বলেছেন যে খালেদা জিয়ার মৃত্যু সংবাদে তিনি গভীরভাবে শোকাহত। তিনি তার পরিবার এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। মোদী ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছেন যে তিনি তার পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দিন।
পুরাতন স্মৃতি এবং অবদান
মোদী বাংলাদেশের উন্নয়নে খালেদা জিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেছেন। তিনি ২০১৫ সালে ঢাকায় তাদের সাক্ষাতের কথা স্মরণ করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য এটিকে একটি স্মরণীয় সাক্ষাৎ বলে অভিহিত করেছেন। সেই সময় দুই নেতার করমর্দন এবং বৈঠক নিয়ে আলোচনার ছবি দুই দেশের মধ্যে উষ্ণতার প্রতীক।
খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক যাত্রা:
খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী। তিনি তিন মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন। তার প্রথম মেয়াদ ১৯৯১ সালের মার্চ থেকে ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হয়, তার দ্বিতীয় মেয়াদ ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির পর কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হয় এবং তার তৃতীয় মেয়াদ ২০০১ সালের অক্টোবর থেকে ২০০৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত স্থায়ী হয়। তার মেয়াদ অর্থনৈতিক উদারীকরণকে উৎসাহিত করে এবং দেশে অসংখ্য উন্নয়ন প্রকল্প শুরু করে। যদিও বিএনপি এবং ভারতের পক্ষপাতী আওয়ামী লীগের মধ্যে ঐতিহাসিক উত্তেজনা রয়েছে, মোদির শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রতিবেশী সম্পর্কে স্থিতিশীলতার আশা জাগিয়ে তুলেছে।
বর্তমান প্রেক্ষাপট:
খালেদা জিয়ার দল, বিএনপি, ২০২৪ সালের বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার পর তার শক্তি ফিরে পাচ্ছে। তার মৃত্যু আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার উপর প্রভাব ফেলতে পারে এবং ভারতের শ্রদ্ধাঞ্জলি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের দৃঢ়তার ইঙ্গিত দেয়।











