নয়াদিল্লি: সিআইআই জাতীয় রপ্তানি ও আমদানি কমিটির চেয়ারম্যান এবং প্যাটন-এর এমডি সঞ্জয় বুধিয়া, এমডি–প্যাটন, একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান যে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬–২০২৭ দেশ ও এর নাগরিকদের উন্নয়ন এজেন্ডা স্পষ্ট করেছে এবং ভারতের বিকাশ সম্ভাবনাকে এগিয়ে নেওয়ার একটি ইতিবাচক সংকেত দিয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন যে বর্তমান সময়টি চ্যালেঞ্জপূর্ণ। বাণিজ্যিক উত্তেজনা, বৈশ্বিক প্রতিকূল পরিস্থিতি (গ্লোবাল হেডউইন্ডস) এবং নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। তবে একই সঙ্গে এই সময়ই বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারতের অংশ আরও বাড়ানোর একটি উপযুক্ত সুযোগ। রপ্তানি হতে পারে উন্নয়নের প্রধান ইঞ্জিন এবং ব্যাপক কর্মসংস্থানের উৎস।
এই প্রেক্ষাপটে, বিশ্বমানের প্রতিযোগিতামূলক কনটেইনার উৎপাদন ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার জন্য প্রস্তাবিত ১০,০০০ কোটি টাকার পরিকল্পনাকে তিনি সময়োপযোগী ও কৌশলগত হস্তক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন। দেশীয় কনটেইনার সক্ষমতা উন্নয়নে কেন্দ্রীভূত এই উদ্যোগ আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাবে, পরিবহন ব্যয় হ্রাস করবে এবং ভারতের রপ্তানি–লজিস্টিক্সে কার্যগত নমনীয়তা প্রদান করবে।
এই উদ্যোগ সরবরাহ শৃঙ্খলকে আরও মজবুত করবে এবং ভারতকে একটি উৎপাদন ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে ভিত্তি স্তম্ভ হয়ে উঠতে পারে। পাশাপাশি, ২০৩০ সালের মধ্যে ২ ট্রিলিয়ন ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ভারতকে অবশ্যই সহায়তা করবে। আমদানি করা কাঁচামালের চূড়ান্ত ব্যবহারের সময়সীমা বৃদ্ধি এবং আগাম সিদ্ধান্ত (অ্যাডভান্স রুলিং) ভারত ইনক.–এর ওপর সরকারের আস্থারই প্রতিফলন।
দক্ষতা উন্নয়নে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হওয়ায় কর্মসংস্থান ও কর্মযোগ্যতার (এমপ্লয়মেন্ট ও এমপ্লয়েবিলিটি) মধ্যকার ব্যবধান কমাতে সহায়তা করবে বলেও তিনি মত প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন, বাজেট কোনও একদিনের ঘটনা নয়, এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। অর্থমন্ত্রীর হাতে এমন কোনও জাদুর ছড়ি নেই, যার মাধ্যমে সব অংশীজনের সব সমস্যার একসঙ্গে সমাধান করা সম্ভব।










